
কাঠমান্ডু, ৪ সেপ্টেম্বর (হি. স. ) : অলৌকিক, নেপাল বিপর্যয়ে হাড়হিম করা উদ্ধার! টানা ১০ দিন ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েও জীবিত। শুক্রবার সকালে আশারই হাতনাতে ফল মিলল। ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে ভেসে আসছিল গলার স্বর। তড়িঘড়ি উদ্ধার শুরু হয়। অবশেষে উদ্ধার হন নেপালের ত্রিশূলি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের দুই কর্মী।
গত ২৬ আগস্ট ভোটেকোশী ও ত্রিশূলী নদীতে হড়পা বানে বহু শ্রমিক সুড়ঙ্গে আটকে পড়েন। তারমধ্যে রাসুয়া জেলার ত্রিশূলী ৩-এ জলবিদ্যুৎ স্টেশনে ৪০ জন শ্রমিকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না তখন থেকেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছিল। তবে নিরলস খোঁজ চলছিল।
এদিন কাঁধে করে বের করে আনা হয় দুই শ্রমিককে। প্রথম জন সঞ্জয় শাহ ও পরে উদ্ধার হন কবীর মাহারাজনকে। সঞ্জয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মেক্য়ানিক্যাল ফোরম্যান, কবীর হলেন মেক্যানিক্যাল সুপারভাইজ়র। দুজনকে ১৭০ মিটার গভীর থেকে উদ্ধার করা হয়।
হড়পা বানে নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। কিন্তু ৯ দিন কাদামাটি চাপা পড়ে থাকার পরেও আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে যান ওই দু’জন।
শুক্রবার জীবিত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়।
আশা ছেড়ে দেওয়া দুই কর্মীর পরিবারে এখন খুশির হাওয়া। তাঁদের দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। শরীরের বিভিন্ন অংশে চোট রয়েছে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত