শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু
নয়াদিল্লি, ৪ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে দেশের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি তাঁর বার্তায় বলেন, “শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আমি দেশের সমস্ত শিক্ষককে আন্তরিক শুভেচ্ছা
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু


নয়াদিল্লি, ৪ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে দেশের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বার্তায় বলেন, “শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আমি দেশের সমস্ত শিক্ষককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্মবার্ষিকী স্মরণে এই দিনটি পালিত হয়।

ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন ছিলেন একজন মহান লেখক ও দার্শনিক। তিনি এক অতুলনীয় শিক্ষকও ছিলেন। আমি এই উপলক্ষে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। সমস্ত উৎসর্গীকৃত শিক্ষকের অবদানের জন্য তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি কামনা করি, সকল শিক্ষক যেন এমন এক আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলেন, যা দেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকরা তাঁদের দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটান এবং তাঁদের চরিত্রবান করে তোলেন। একজন শিক্ষার্থীকে সুনাগরিকে রূপান্তর করা শিক্ষকেরই দায়িত্ব। একজন উৎসর্গীকৃত ও সংবেদনশীল শিক্ষক শিক্ষার্থীর বিশেষ ক্ষমতা চিহ্নিত করেন, তাঁদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠেন এবং নিজের কাজে উৎকর্ষ অর্জনে সাহায্য করেন। শিক্ষকদের উচিত প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করা, ক্রমাগত জ্ঞান অর্জন করা এবং শিক্ষাদানের নতুন পদ্ধতিগুলো গ্রহণ করা। শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাধীন চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাঁদের মনে কৌতূহল জাগিয়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

উল্লেখ্য, ১৮৮৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬২ সালে তাঁর কয়েকজন ছাত্র ও শুভানুধ্যায়ী তাঁর জন্মদিন পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করলে তিনি বলেন, তাঁর জন্মদিন আলাদাভাবে পালন না করে যদি ৫ সেপ্টেম্বর দিনটিকে 'শিক্ষক দিবস' হিসেবে পালন করা হয়, তবে তা তাঁর জন্য আরও বেশি গর্বের বিষয় হবে। এরপর ১৯৬২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে আসছে। ড. রাধাকৃষ্ণন ১৯৬২ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ১৯৫২ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি দেশের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande