খানাকুলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, প্লাবিত একাধিক এলাকা ও বাড়িঘর
আরামবাগ , ৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.): ডিভিসির জল ছাড়ায় মুণ্ডেশ্বরী নদীর জলস্তর ক্রমশ বাড়তে থাকায় খানাকুলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। শুক্রবার চিংড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মালঞ্চ, গৌরাঙ্গচক ও জুগীকুন্ডু এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি জলের তলায় চলে যায়। প
খানাকুলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি


আরামবাগ , ৪ সেপ্টেম্বর (হি.স.): ডিভিসির জল ছাড়ায় মুণ্ডেশ্বরী নদীর জলস্তর ক্রমশ বাড়তে থাকায় খানাকুলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। শুক্রবার চিংড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মালঞ্চ, গৌরাঙ্গচক ও জুগীকুন্ডু এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ি জলের তলায় চলে যায়। পাশাপাশি কাবিলপুর ও সারদা গ্রামেও ঢুকে পড়েছে বন্যার জল।

পরিস্থিতির জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে রাজা রামমোহন রায় মহাবিদ্যালয়। জল বাড়তে থাকায় আতঙ্কে রয়েছেন নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। গৌরাঙ্গচকের বাসিন্দা মমতা শী জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই বাড়িতে জল ঢুকতে শুরু করেছে। শুক্রবার সকাল থেকে জল আরও বাড়তে থাকায় আগেভাগেই বাড়িতে খাবার মজুত করে রেখেছেন তাঁরা।

অন্যদিকে, জুগীকুন্ডুর বাসিন্দা মিহির দলুই জানান, ইতিমধ্যেই এলাকার কয়েকটি বাড়ি জলে ডুবে গিয়েছে। ফলে সমস্যায় পড়েছেন বহু পরিবার।

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফে তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিধায়ক বিমান ঘোষ জানান, বন্যাকবলিত এলাকাগুলিতে রিলিফ ক্যাম্প করা হয়েছে এবং দুর্গতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদেরি জানান, জেলার মোট সাতটি ব্লক বন্যাকবলিত হয়েছে। পরিস্থিতির উপর প্রশাসনের তরফে নজর রাখা হচ্ছে। জলস্তর আরও বাড়লে দুর্গতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ত্রাণ ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande