অন্ডালে গৃহবধূর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার,ধৃত মৃতার দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী
দুর্গাপুর, ৫ সেপ্টম্বর(হি. স.): প্রথমপক্ষের স্বামীকে ছেড়ে অন্য এক পুরুষকে বিয়ে করেছিলেন। বসতবাড়ির সদর দরজার সামনে থেকে সেই মহিলারই রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। তাঁর গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল অভিযোগ। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে অন্ডালের বিশ
অন্ডালে গৃহবধূর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার,ধৃত মৃতার দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী


দুর্গাপুর, ৫ সেপ্টম্বর(হি. স.): প্রথমপক্ষের স্বামীকে ছেড়ে অন্য এক পুরুষকে বিয়ে করেছিলেন। বসতবাড়ির সদর দরজার সামনে থেকে সেই মহিলারই রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। তাঁর গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল অভিযোগ। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে অন্ডালের বিশ্বেশ্বরী ময়রা ডিপো পাড়া এলাকায়। ঘটনায় ধৃত মৃতার দ্বিতীয় পক্ষের স্বামী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃতার নাম তারাদেবী ভুঁইয়া (৪৪)। জানা গিয়েছে, অণ্ডাল থানার খান্দরা পঞ্চায়েতের ময়রা ডিপো পাড়া এলাকায় ওই দম্পতি থাকতেন। এদিন সকালে বছর ৪৪ বয়সের তারাদেবী ভুঁইয়াকে ঘরের মধ্যেই রক্তাত্ব অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তাঁর গলাকাটা ছিল। বাড়িতে অন্য কেউ ছিল না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়শই অশান্তি হত। সেই অশান্তির জেরেই এই খুন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। যদিও ঠিক কী কারণে মৃত্যু, নেপথ্যে কে বা কারা তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার পর তাঁর দ্বিতীয় স্বামী তপন ডোমকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে তাকে বরাকর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অণ্ডালের এসিপি দীপকুমার দাস-সহ পুলিশের আধিকারিকরা। প্রতিবেশীদের দাবি, তারা দু’বার বিয়ে করেছে। প্রথম পক্ষের স্বামীকে ছেড অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন তিনি। তপন ডোম স্থানীয় এক খনির কর্মী বলে জানা গিয়েছে। প্রথমপক্ষের দুই মেয়ে রয়েছে তারা দেবীর। বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তিনি পরাশকোল এলাকায় থাকেন। ছোট মেয়ে দিদির বাড়িতে থাকেন। প্রথমপক্ষের স্বামীর সঙ্গে কি তারার কোনও যোগাযোগ ছিল? নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে? যদিও সেসব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

ডেপুটি কমিশনার রাসপ্রিত সিং বলেন,”আমরা মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। ফরেন্সিক টিমকে ডাকা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহ করা হয়। মৃত্যুর পিছনে কী কারণ রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande