
কাঠমান্ডু, ৫ সেপ্টেম্বর (হি. স. ) : মহাপ্রলয়ের ১১দিন পর ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হল এক বৃদ্ধাকে। পাশাপাশি আপার ত্রিশূলী-১ টানেলে উদ্ধার করা হয়েছে এক বিদেশি নাগরিককে।
জানা যাচ্ছে, ত্রিশূলী নদীর বন্যায় আশপাশে যত বাড়ি ছিল তার বেশিরভাগই ভেঙে গিয়েছে। নুয়াকোটে বিদুর পুরসভার অন্তর্গত বৃদ্ধার চারতলা বাড়িও এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রেহাই পায়নি। বাড়িটি কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিল। উদ্ধারকারীরা অনুমান করেছিলেন, এতদিন পর সেখানে কারও বেঁচে থাকার কথা নয়। সেই সময় কার্যত মাটিতে মিশে যাওয়া বাড়ি নামের ওই ধ্বংসস্তূপের ভিতর থেকে ক্ষীণ কণ্ঠস্বর শোনেন উদ্ধারকারীরা। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় উদ্ধারকাজ।
ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে কোনওমতে মহিলাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
মহিলার নাম চণ্ডিকা শ্রেষ্ঠা। বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। উদ্ধারকারীদের মতে, অত্যন্ত গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আপাতত স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। এত দীর্ঘসময় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েও উদ্ধার হওয়া আলৌকিক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
পাশাপাশি উজান ত্রিশূলী-১ টানেলে আরও এক জন বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করা হয়েছে জানিয়েছে নেপাল প্রশাসন। যদিও তাঁর পরিচয় সম্পর্কে বিশদে কিছু জানা যায়নি।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত