
রাঁচি, ৬ সেপ্টেম্বর (হি.স.): হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম)-র প্রবীণ নেতা তথা রাজ্যের উচ্চ ও কারিগরি শিক্ষা এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রী সুদিব্য কুমার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। জেএমএম সূত্রের খবর, ৫৬ বছর বয়সী মন্ত্রীকে শনিবার গভীর রাতে রাঁচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানে ভোর ৪টে নাগাদ প্রয়াত হন তিনি। ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রী সুদিব্য কুমারের প্রয়াণের বিষয়ে মার্সি হাসপাতালের ডাঃ শাহজাদ শেখ বলেন, সুদিব্য কুমারকে রাত ২.১৫ মিনিট নাগাদ হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁর দুই ঘণ্টা ধরে বুকে ব্যথা ছিল এবং এখানে আসার আগেই তিনি 'অ্যাসপিরেট' করেছিলেন—অর্থাৎ বমির অংশবিশেষ তাঁর ফুসফুসে চলে গিয়েছিল। হাসপাতালে পৌঁছনোর পরপরই তাঁকে দ্রুত 'ইনটিউবেট' করা হয়। ইসিজিতে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ পাওয়া যায়। ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটে এবং তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। এরপর সিপিআর শুরু করা হয়। সিপিআর-এর সমস্ত প্রক্রিয়া ও জীবন বাঁচানোর সব রকম প্রচেষ্টা চালানো সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
গিরিডির বিধায়ক সুদিব্য কুমার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি এবং ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক দফতরের মতো মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, বিধানসভার স্পিকার রবীন্দ্র নাথ মাহাতো এবং আরও অনেক নেতা সুদিব্য কুমারের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন। হেমন্ত সোরেন বলেন, “আমার বড় দাদা, আমাদের প্রিয় সুদিব্য কুমার জির মৃত্যুর হৃদয়বিদারক খবরটি পেলাম। এই খবর মেনে নেওয়া আমার পক্ষে অত্যন্ত কঠিন।”
ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা এক্স মাধ্যমে জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নিবেদিতপ্রাণ কর্মী তথা ঝাড়খণ্ড সরকারের মন্ত্রী সুদিব্য কুমারের অকাল প্রয়াণে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা পরিবার স্তম্ভিত ও গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর প্রয়াণ দল, সরকার এবং ঝাড়খণ্ডের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর সংগ্রাম, জনসেবা ও অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ