
মুম্বই, ৩ সেপ্টেম্বর (হি.স.): এবার দলবদলের মরসুমে অর্থ খরচের নতুন রেকর্ড গড়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো। ট্রান্সফার ডেডলাইনের দিনে নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে অ্যালেকজান্ডার ইসাককে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে টেনে নিয়ে লিভারপুল মোট খরচের অঙ্ককে তিন বিলিয়ন পাউন্ডের ওপরে খরচ করেছে।
গ্রীষ্মকালীন উইন্ডোতে সব মিলিয়ে প্রিমিয়ার লিগের দলগুলো ফুটবলার কেনাবেচায় খরচ করেছে ৩.০৮৭ বিলিয়ন পাউন্ড, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা! ২০২৩ সালের গ্রীষ্মকালীন উইন্ডোর ২.৩৬ বিলিয়ন পাউন্ডের রেকর্ড ভেঙে দিয়ে আরও উঁচুতে নিয়ে গেছে দলবদলের খরচ।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের এক তথ্য থেকে জানা গেছে, এক মরসুমে প্রিমিয়ার লিগের দলগুলোর এই ব্যয় ইউরোপের শীর্ষ চার লিগ লা লিগা, বুন্দেসলিগা, লিগ ওয়ান ও সিরি আ—মিলিত খরচের চেয়েও অনেক অনেক বেশি। এতে প্রমাণ হয়,দলবদলের অর্থ খরচের দিক থেকে বাকিদের চেয়ে কতটা এগিয়ে গেছে ইপিএল।
এই রেকর্ডে সবচেয়ে এগিয়ে আছে লিভারপুল। ক্লাব ইতিহাসের রেকর্ড গড়ে ইসাককে দলে নেওয়ার পাশাপাশি পুরো ট্রান্সফার উইন্ডোতে তারা খেলোয়াড় কিনতে ব্যয় করেছে ৪১৫ মিলিয়ন পাউন্ড। এছাড়া ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি ব্যয় করেছে আরও পাঁচ ক্লাব—চেলসি (২৮৫), আর্সেনাল (২৫৫), নিউক্যাসল (২৫০), ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড (২১৬) ও নটিংহ্যাম ফরেস্ট (২০৫)। তবে খরুচে ক্লাব হিসেবে পরিচিত ম্যানচেস্টার সিটি এবার তুলনামূলকভাবে কম, তারা ১৫২ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করেছে।
শুধু খরচ নয়, খেলোয়াড় বিক্রি করেও মোটা অঙ্কের টাকা আয় করেছে ক্লাবগুলো। চেলসি খেলোয়াড় বিক্রি করে সবচেয়ে বেশি ২৮৮ মিলিয়ন পাউন্ড তুলেছে, ফলে সামগ্রিক হিসাবে প্রায় ৩ মিলিয়ন পাউন্ড লাভে রয়েছে লন্ডনের ক্লাবটি। আর নেট লাভ বেশি করেছে বোর্নমাউথ। তারা নতুন খেলোয়াড় কেনায় ব্যয় করেছে ১২০ মিলিয়ন পাউন্ড, বিপরীতে বিক্রি থেকে আয় করেছে ২০৭ মিলিয়ন। ফলে তাদের লাভ দাঁড়িয়েছে ৮৭ মিলিয়ন পাউন্ড।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / শান্তি রায়চৌধুরি