পরিবহন শ্রমিকদের ওয়েলফেয়ার বোর্ড গঠন ও নিরাপত্তার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন, আরামবাগেও মিছিল।
হুগলি, ৩ নভেম্বর (হি.স) : পরিবহন শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং ওয়েলফেয়ার বোর্ড গঠনের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ভারতীয় প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট মজদুর মহাসংঘ (BMSS)। সেই আন্দোলনের অংশ হিসেবে আরামবাগেও কর্মসূচি পালন করলে
পরিবহন শ্রমিকদের ওয়েলফেয়ার বোর্ড গঠন ও নিরাপত্তার দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন, আরামবাগেও মিছিল।


হুগলি, ৩ নভেম্বর (হি.স) : পরিবহন শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং ওয়েলফেয়ার বোর্ড গঠনের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে ভারতীয় প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট মজদুর মহাসংঘ (BMSS)। সেই আন্দোলনের অংশ হিসেবে আরামবাগেও কর্মসূচি পালন করলেন সংগঠনের সদস্য ও পরিবহন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার সংগঠনের পশ্চিমবঙ্গ ইনচার্জ গৌতম দাস জানান, দেশের বিভিন্ন কলকারখানা ও শিল্পক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য ইএসআই (ESI), পিএফ (PF) এবং মেডিক্লেইমের মতো একাধিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও পরিবহন শ্রমিকরা আজও সেই সুবিধা থেকে কার্যত বঞ্চিত। অথচ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় কাজ করতে হয় তাঁদের। পথ দুর্ঘটনায় গাড়ির মালিক ও যাত্রীরা বিমা বা ক্ষতিপূরণের সুবিধা পেলেও অনেক ক্ষেত্রে চালক ও পরিবহন শ্রমিকরা কোনও বিমা বা ক্ষতিপূরণ পান না। উল্টে দুর্ঘটনার পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা ও আইনি জটিলতারও সম্মুখীন হতে হয়। শ্রমিকদের নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার পরিবর্তে অনেক সময় ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত একটানা কাজ করতে বাধ্য করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছনোর জন্য অতিরিক্ত কমিশন বা আর্থিক প্রলোভন দেখানোর ফলেও চালকদের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। এর জেরে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে এবং প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবহন শ্রমিকদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, সামাজিক সুরক্ষা, দুর্ঘটনাজনিত বিমা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা এবং তাঁদের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠন। পাশাপাশি চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় অবিলম্বে একটি পৃথক ওয়েলফেয়ার বোর্ড গঠনের দাবিও তোলা হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকারের কাছে দ্রুত এই দাবিগুলি কার্যকর করার আবেদন জানিয়েছে ভারতীয় প্রাইভেট ট্রান্সপোর্ট মজদুর মহাসংঘ। এদিনের আরামবাগের কর্মসূচিতে সংগঠনের রাজ্য সহসভাপতি সঞ্জয় সাহা সহ আরামবাগের বিভিন্ন স্তরের কার্যকর্তা এবং বহু পরিবহন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সন্তোষ সাঁতরা




 

 rajesh pande