

হাফলং (অসম) ৭ নভেম্বর (হি স): কালীপুজো মানেই আলোর উৎসব, আনন্দ আর দেবী আরাধনা। কিন্তু এবার হাফলং শ্মশানঘাটের কালীপুজোয় মণ্ডপে প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা হতে চলেছে একেবারে অন্য রকম। মা কালীর দর্শন পাওয়ার আগে তাঁদের মুখোমুখি হতে হবে ভূতের! সঙ্গে থাকবে রহস্যময় আলোর খেলা, যা গোটা পরিবেশকে করে তুলবে আরও গা ছমছমে ও রোমাঞ্চকর। এমনই এক অভিনব পরিকল্পনা নিয়ে এবার হাজির হচ্ছে হাফলং শ্মশানঘাট পুজো কমিটি।
শ্মশানঘাটের পরিবেশের সঙ্গে কালী আরাধনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সেই ভাবনাকেই এ বার আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছেন আয়োজকেরা। প্রচলিত মণ্ডপসজ্জার বাইরে গিয়ে শ্মশানের আবহ, ভূতের উপস্থিতি এবং আলোর বিচিত্র বিন্যাসের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সামনে এক রহস্যময় জগৎ তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে মণ্ডপে প্রবেশের পর থেকেই শুরু হবে এক অন্য ধরনের অভিজ্ঞতা। অন্ধকারের মধ্যে ভূতের অবয়ব, রহস্যময় আলোর রশ্মি এবং চারপাশের গা ছমছমে পরিবেশ দর্শনার্থীদের মনে তৈরি করবে রোমাঞ্চের অনুভূতি।
বিশেষ করে ছোটদের কাছে এই আয়োজন যেমন কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠবে, তেমনই বড়দের কাছেও তা হতে পারে এক অভিনব অভিজ্ঞতা। মা কালীর দর্শনের আগে ভূতের দর্শন—এই ব্যতিক্রমী ভাবনাই ইতিমধ্যে হাফলং শহরবাসীর মধ্যে কালীপুজোকে ঘিরে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।
প্রতি বছরই কালীপুজোকে কেন্দ্র করে হাফলং শহরে উৎসবের আমেজ দেখা যায়। তবে এবার শ্মশানঘাট পুজো কমিটির এই বিশেষ পরিকল্পনা উৎসবের আকর্ষণে নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে। ভূত, অন্ধকার আর আলোর রহস্যময় মেলবন্ধনে শ্মশানঘাটের কালীপুজো এবার কতটা দর্শনার্থীদের চমকে দিতে পারে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে হাফলংবাসী।
মা কালীর আরাধনার পাশাপাশি রোমাঞ্চকর এই আয়োজনের সাক্ষী হতে কালীপুজোর দিন শ্মশানঘাটে দর্শনার্থীদের ভিড় জমবে বলেই আশা আয়োজকদের।
হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব