লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকছিল পুরুষের অ্যাকাউন্টে, শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ মহিলার
হুগলি, ২৯ মে (হি.স.) : লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা অন্য এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুললেন রিষড়া পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ঊর্মিলা দেবী। এই জালিয়াতির ঘটনায় তিনি শ্রীরামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঊর্
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকছিল পুরুষের অ্যাকাউন্টে, শ্রীরামপুর থানায় অভিযোগ মহিলার


হুগলি, ২৯ মে (হি.স.) : লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা অন্য এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুললেন রিষড়া পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ঊর্মিলা দেবী। এই জালিয়াতির ঘটনায় তিনি শ্রীরামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ঊর্মিলা দেবী শুক্রবার জানান, তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য নিজের নাম নথিভুক্ত করিয়েছিলেন। কিন্তু আশেপাশের অন্যান্য মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের টাকা চলে এলেও, তাঁর নিজের অ্যাকাউন্টে কোনও দিনও টাকা ঢোকেনি।

উদ্বেগজনকভাবে ওই মহিলার অভিযোগ, তাঁর লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বিজয় সাউ নামের এক পুরুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছিল। ঊর্মিলা দেবীর দাবি, প্রকল্পের ফর্মে নাম তাঁরই নথিভুক্ত ছিল, কিন্তু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যের জায়গায় বিজয় সাউয়ের নাম ও অ্যাকাউন্ট নম্বর জুড়ে দেওয়া হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি যখন সরাসরি বিজয় সাউয়ের কাছে যান এবং এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন বিজয় সাউ তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।

এরপর ঊর্মিলা দেবী স্থানীয় কাউন্সিলর সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিকদের বিষয়টি জানান। তাঁর অভিযোগ, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে তিনি এই বিষয়ে কোনও বিচার পাননি। রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর এবার তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং শ্রীরামপুর থানায় একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

অন্যদিকে, বিজয় সাউ ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-এর কাছে স্বীকার করেছেন যে টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে এসেছিল এবং তিনি সেই সমস্ত টাকা ফেরত দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি স্থানীয় কাউন্সিলর পার্থসারথি গুপ্তের কাছে গিয়েছিলেন এবং কাউন্সিলর দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি।

এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া নেওয়ার জন্য কাউন্সিলর পার্থসারথি গুপ্তের সঙ্গে বারবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। আপাতত পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং পীড়িতাকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande