অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম জমা দিতে উপচে পড়া ভিড়, পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ মোতায়েন
হুগলি , ২ জুন (হি.স.) : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার ব্যাপক ভিড়ের সৃষ্টি হল গোঘাটের শ্যামবাজার গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়। রাজ্যজুড়ে শু
অন্নপূর্ণা ভান্ডার এর ফ্রম জমা লাইন সামলাতে পুলিশ


হুগলি , ২ জুন (হি.স.) : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ফর্ম জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার ব্যাপক ভিড়ের সৃষ্টি হল গোঘাটের শ্যামবাজার গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়।

রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্র পূরণ ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। বিজেপি সরকারের এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারই প্রতিফলন দেখা গেল শ্যামবাজার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

এদিন সকাল থেকেই গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু মানুষ আবেদনপত্র জমা দিতে এসে ভিড় জমান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আবেদনকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় একসময় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হয়। আবেদনকারীদের সারিবদ্ধভাবে ফর্ম জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখা হয়।

ফর্ম জমা দিতে আসা বহু মানুষের দাবি, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার আশাতেই তাঁরা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের মতে, এই প্রকল্প পরিবারের আর্থিক সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী কয়েকদিন আবেদনপত্র জমা নেওয়ার কাজ চলবে। তাই একদিনে অতিরিক্ত ভিড় না করে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী আবেদন জমা দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পকে ঘিরে মানুষের এই বিপুল আগ্রহ মঙ্গলবার শ্যামবাজার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। দীর্ঘ লাইন, উপচে পড়া ভিড় এবং তা সামাল দিতে প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতায় দিনভর ব্যস্ততার ছবি দেখা যায় পঞ্চায়েত চত্বরে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande