
কলকাতা, ৩ জুন (হি. স.) : টানটান নাটকের মাঝে এদিন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির হন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘অসুস্থ’ বলে সিআইডি সমন এড়ালেও এদিন কালীঘাটে যান তিনি। যান কুণাল ঘোষও।
এর আগেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ে। শক্তি পরীক্ষায় পাশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী বিধায়কদের সই করা চিঠিকে স্বীকৃতি দেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ ঘোষ। অর্থাৎ এবার তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ‘আসল মালিকানা’ পেলেন ঋতব্রত ও তাঁর সঙ্গী বিধায়করা। সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত বললেন, “আজ থেকে বিরোধ দল হিসেবে আমাদের যাত্রা শুরু।”
ভোটে হারার পরেও নেতা-কর্মীদের উপর ভরসা রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, ফের ঘুরে দাঁড়াবেন। কিন্তু দলের অন্দরে যে চোরাস্রোত বয়ে যাচ্ছে, তা সম্ভবত বুঝতে পারেননি দলনেত্রীও। বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা চিঠির সই নিয়ে বিতর্কই মুহূর্তে বদলে দিয়েছে ‘খেলা’।
সই কাণ্ডে মুখ খুলে বহিষ্কৃত হওয়ার পরই ‘পাওয়ার গেম’-এ শামিল হয়ে যান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। শক্তি প্রমাণে ‘আসল তৃণমূল’ স্বীকৃতি পেতে বিদ্রোহীদের এক ছাতার তলায় আনতে মরিয়া হয়ে যান ঋতব্রত।
সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে কীভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ করা যায়, তা নিয়েই কথা হয় মমতা, অভিষেক, কুণালের।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত