যোগী জমানায় আইনশৃঙ্খলায় বদল, মানুষের আস্থা বেড়েছে: নানা পাটেকর
লখনউ, ১৬ আগস্ট (হি.স.): উত্তর প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রশংসায় মুখর হলেন অভিনেতা নানা পাটেকর। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রায় ২৫ কোটি মানুষের এই বিশাল ও বৈচিত্র্যময় রাজ্যে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায়
যোগী জমানায় আইনশৃঙ্খলায় বদল, মানুষের আস্থা বেড়েছে: নানা পাটেকর


লখনউ, ১৬ আগস্ট (হি.স.): উত্তর প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রশংসায় মুখর হলেন অভিনেতা নানা পাটেকর। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রায় ২৫ কোটি মানুষের এই বিশাল ও বৈচিত্র্যময় রাজ্যে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা সহজ নয়। কিন্তু আইনশৃঙ্খলাকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের মধ্যে রাখার ফল এখন স্পষ্ট।

লখনউয়ে উত্তর প্রদেশ পুলিশের থিম সং ‘খাকির সিতারা’-র প্রকাশ অনুষ্ঠানে নানা পাটেকর বলেন, শুধু পুলিশবাহিনীর সংখ্যা বাড়ালেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজন শক্তিশালী নেতৃত্ব, স্পষ্ট নীতি এবং দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা। যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে পুলিশ আধুনিক সরঞ্জাম, নতুন প্রযুক্তি ও আত্মবিশ্বাস পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নানা বলেন, গত কয়েক দশকে উত্তর প্রদেশে তিনি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখেছেন। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা বেড়েছে, প্রশাসনিক ব্যবস্থায় উন্নতি এসেছে এবং সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও স্পষ্টতা দেখা যাচ্ছে। তাঁর কথায়, পুলিশ যত আধুনিক হবে, নাগরিক তত নিরাপদ থাকবেন। একইসঙ্গে নাগরিক সচেতনতা বাড়লে অপরাধীদের কাজও কঠিন হয়ে পড়বে।

তবে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে সাইবার অপরাধ ও ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন অভিনেতা। তাঁর সতর্কবার্তা, পুলিশ, সিবিআই বা অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক পরিচয়ে ফোন বা ভিডিও কল করে কেউ ভয় দেখিয়ে টাকা চাইলে সতর্ক হতে হবে। সাইবার অপরাধীদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র প্রযুক্তি নয়, মানুষের ভয়—বলেন তিনি।

ডিজিটাল অ্যারেস্ট নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে উত্তর প্রদেশ পুলিশের তৈরি ছবিরও প্রশংসা করেন নানা। তাঁর বক্তব্য, শিল্পীদের অংশগ্রহণে যদি কোনও পরিবারের সারা জীবনের সঞ্চয় বাঁচানো যায় কিংবা কোনও প্রবীণকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করা যায়, তার চেয়ে বড় সামাজিক অবদান আর কিছু হতে পারে না।

পুলিশকর্মীদের দায়িত্বের কঠিন দিকটিও তুলে ধরেন তিনি। নানা বলেন, সিনেমার মতো পুলিশের কাছে ‘রিটেক’-এর সুযোগ থাকে না। কঠিন পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাঁদের। উত্তর প্রদেশ পুলিশ ভবিষ্যতেও মানুষের আস্থা ধরে রেখে রাজ্যকে আরও নিরাপদ করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande