লোন, লটারি, চাকরির টোপে প্রতারণা
ঝাড়্গ্রাম, ১১ সেপ্টেম্বর ( হি. স.): লোন, লটারি, চাকরির টোপে প্রতারণা। আর সেই টাকা ঘোরাতে ব্যবহার করা হত অন্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। তদন্তে নেমে এমনই এক আন্তঃরাজ্য সাইবার প্রতারণা চক্রের হদিস পেল ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ। চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে
লোন, লটারি, চাকরির টোপে প্রতারণা


ঝাড়্গ্রাম, ১১ সেপ্টেম্বর ( হি. স.): লোন, লটারি, চাকরির টোপে প্রতারণা। আর সেই টাকা ঘোরাতে ব্যবহার করা হত অন্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। তদন্তে নেমে এমনই এক আন্তঃরাজ্য সাইবার প্রতারণা চক্রের হদিস পেল ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ। চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করল সাইবার অপরাধ দমন থানার পুলিশ। একটি সাইবার প্রতারণার অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়েই চক্রটির সন্ধান মেলে। শুক্রবার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট জায়গায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের দাবি, ধৃতেরা ‘মিউল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট’ পরিচালনা ও কার্যকর করার সঙ্গে যুক্ত ছিল। বিভিন্ন সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া টাকা ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে ঢোকানো এবং পরে তা অন্যত্র সরানো হত বলে অভিযোগ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি থানার গোদরা গ্রামের পঙ্কজ মাহাত, বিনপুর থানার দহিজুড়ি এলাকার প্রবীর মাহাত, পাপন মাহাত ও সন্তু মাহাত এবং মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুরের বাসিন্দা সাহিল মিশ্রম।পুলিশ জানিয়েছে, লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, লটারির প্রলোভন, তথ্য যাচাই, চাকরি দেওয়ার টোপ-সহ বিভিন্ন কৌশলে প্রতারণার টাকা এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লেনদেন করা হত বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৮টি মোবাইল ফোন, ৯টি এটিএম কার্ড, ৬টি ব্যাঙ্কের পাশবই এবং একাধিক ব্যক্তির প্যান ও আধার কার্ড। অন্যের নামে থাকা এই ব্যাঙ্ক নথি ও পরিচয়পত্র কীভাবে চক্রের হাতে পৌঁছল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের আরও সদস্যের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। প্রতারণার টাকা কোথা থেকে এসেছে, কোন কোন অ্যাকাউন্টে তা ঘোরানো হয়েছে এবং আন্তঃরাজ্য এই চক্রের জাল কতদূর ছড়িয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande