ঝাড়গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিবিজড়িত দোকানে পালিত হলো নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন
ঝাড়গ্রাম, ১৭ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারের স্বার্থে ঝাড়গ্রাম সফরে এসে রাজ কলেজ মোড়ে চবন লাল ঝালমুড়ির দোকান থেকে ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই পুরনো স্মৃতি ফের একবার মনে করেই বৃহস্পতিবার নিজের
ঝাড়গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিবিজড়িত দোকানে পালিত হলো নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন


ঝাড়গ্রাম, ১৭ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারের স্বার্থে ঝাড়গ্রাম সফরে এসে রাজ কলেজ মোড়ে চবন লাল ঝালমুড়ির দোকান থেকে ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই পুরনো স্মৃতি ফের একবার মনে করেই বৃহস্পতিবার নিজের দোকানেই প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন করলেন ঝাড়গ্রামের রাজ কলেজ মোড়ের বাসিন্দা বিক্রম কুমার সাউ। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেই মুহূর্তের ছবি ও স্মৃতি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেন তিনি। এমনকি এদিন যাঁরা ঝালমুড়ি কিনে খাচ্ছেন, তাঁদেরকে অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি পরিমাণে দিচ্ছেন তিনি। এদিন প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে সেই স্মৃতিকেই সামনে রেখে ছোট অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বিক্রমবাবু।

বিক্রম কুমার সাউ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমার দোকানে এসে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন। সেই মুহূর্তটা আমার কাছে খুবই স্মরণীয়। তাঁর জন্মদিনে নিজের দোকানে ছোট করে অনুষ্ঠান করে সেই স্মৃতি আবার মনে করলাম। প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।” উল্লেখ্য, গত ১৯ এপ্রিল ঝাড়গ্রাম সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে কলেজ মোড়ের এই দোকানে থামেন এবং বিক্রম সাউয়ের তৈরি ঝালমুড়ির স্বাদ নেন। সেই মুহূর্তটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই দোকানটি তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ঝাড়গ্রামের ছোট একটি চত্বর থেকে শুরু হওয়া এই ঝালমুড়ির চর্চা এখন দিল্লির রাজপথ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। বিক্রমের এই আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তাটি স্থানীয় মানুষ ও তাঁর অনুগামীদের নজর কেড়েছে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উৎসবের আবহ ঝাড়গ্রাম জেলাজুড়ে। কোথাও কেক কেটে, কোথাও আল্পনা/রঙোলি এঁকে, আবার কোথাও পুজো, ফল বিতরণ ও সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। ঝাড়গ্রাম শহরের সাবিত্রী মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পুজো দেন বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ, রিমঝিম সিং সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। মহিলাদের অনেকেই লালপাড় সাদা শাড়ি পরে পুজোয় যোগ দেন। পাশাপাশি আদিবাসী নৃত্যের আয়োজনও করা হয়।

বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দিন হিসেবে পালন করছি। তাঁর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে পুজো দেওয়া হয়েছে। আগামী দিনেও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা থাকবে।”

এদিন ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে ফল বিতরণ করেন বিজেপি কর্মীরা। জেলার বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ছোট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মিষ্টি বিতরণ করেন দলের নেতা-কর্মীরা। গোপীবল্লভপুর বিধানসভার চাড়দা কালী মন্দিরে সন্ধ্যায় ১,০০০ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালনের কর্মসূচি রয়েছে। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নানা কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকেন বিজেপি নেতা, কর্মী ও সমর্থকেরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande