এভিবিপির স্মারকলিপি পুলিশ সুপারকে
বারুইপুর , ২৩ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন এভিবিপির সদস্যরা। বুধবার দুপুরে বারুইপুর স্টেশন চত্বর থেকে মিছিল করে পুলিশ সুপারের অফিস পর্যন্ত আসেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। আইএসএফ ও
এভিবিপির স্মারকলিপি পুলিশ সুপারকে


বারুইপুর , ২৩ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন এভিবিপির সদস্যরা। বুধবার দুপুরে বারুইপুর স্টেশন চত্বর থেকে মিছিল করে পুলিশ সুপারের অফিস পর্যন্ত আসেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। আইএসএফ ও এসএফআই এভিবিপির কার্যকর্তাদের উপর হামলার প্রতিবাদেই এদিন স্মারকলিপি জমা দেন এই ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা।

গত সোমবার ভাঙড় কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি সায়ন্তন বসু কলেজে ঢুকতে গেলে বাধার সম্মুখীন হন। আইএসএফ ও এসএফআই ছাত্ররা তাঁকে কলেজে ঢুকতে বাধা দেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ করে এভিবিপি। তাতেই দুই পক্ষের মধ্যে কলেজের সামনেই সংঘর্ষ বেধে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ভাঙড় থানার পুলিশকে লাঠিও চালাতে হয়। এই অশান্তির ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরমধ্যে এভিবিপির ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির ঘটনার গ্রেফতার হওয়া দুই ছাত্রের জামিন মঞ্জুর করে বারুইপুর মহকুমা আদালত মঙ্গলবার। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করে এভিবিপি। পাশাপাশি ভাঙড়ে এক এভিবিপি কার্যকর্তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। সেই ঘটনারও প্রতিবাদ করে বিজেপির এই ছাত্র সংগঠন। মঙ্গলবার বিকেলে আদালত চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়। আইনজীবীদের সঙ্গে বচসা চলে। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি হয় এভিবিপির। এই সমস্ত বিষয় নিয়ে এদিন বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা। সংগঠনের সদস্য শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ পরিকল্পনা করেই শিক্ষা ক্ষেত্রে অশান্তি ছড়াচ্ছে আইএসএফ ও এসএফআই। আমাদের ছাত্রদেরকে মারধর করেছে। ছাত্রিদের মারধর ও শ্লীলতাহানি করেছে ভাঙড় কলেজে। বারুইপুর আদালতেও আমাদেরকে কটু কথা বলা হয়। এই সব কিছুর প্রতিবাদে এবং শিক্ষাক্ষেত্রে অশান্তির প্রতিবাদে আমাদের ডেপুটেশন।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande