এক কেজিতেই সীমাবদ্ধ ‘স্ত্রীধন’, রুপোর দাম বৃদ্ধি বদলাচ্ছে জনজাতি সমাজের বিয়ের রীতি
ভোপাল, ১০ জানুয়ারি (হি.স.): ক্রমবর্ধমান রুপোর দাম বৃদ্ধি জনজাতি সমাজকে এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। দীর্ঘদিনের বিবাহ প্রথায় পরিবর্তন এনে জনজাতি সমাজ স্থির করেছে, এখন থেকে বিয়েতে সর্বাধিক এক কেজি রুপোই ‘স্ত্রীধন’ হিসেবে দেওয়া
রুপোর দাম বৃদ্ধি বদলাচ্ছে জনজাতির বিয়ের রীতি, এক কেজিতেই সীমাবদ্ধ ‘স্ত্রীধন’


ভোপাল, ১০ জানুয়ারি (হি.স.): ক্রমবর্ধমান রুপোর দাম বৃদ্ধি জনজাতি সমাজকে এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। দীর্ঘদিনের বিবাহ প্রথায় পরিবর্তন এনে জনজাতি সমাজ স্থির করেছে, এখন থেকে বিয়েতে সর্বাধিক এক কেজি রুপোই ‘স্ত্রীধন’ হিসেবে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে বিয়ে উপলক্ষে ঋণের বোঝা কমানো এবং পরিবারগুলিকে আর্থিক স্বস্তি দেওয়াই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।

মধ্যপ্রদেশের রতলাম, আলিরাজপুর, ঝাবুয়া-সহ একাধিক জনজাতি অধ্যুষিত জেলায় সংশ্লিষ্ট সমাজের বৈঠক ও সচেতনতা সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমাজের প্রবীণ, যুবক ও প্রতিনিধিদের মত, রুপোর দাম বেড়ে যাওয়ায় বহু দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবার বিয়ের খরচ মেটাতে ঋণ নিতে বা জমিজমা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছিল।

শনিবার রতলাম জেলার ভারত জনজাতি পার্টির জেলা সভাপতি জানান, এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিতেই সমাজ সম্মিলিতভাবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন নিয়মে রুপোর পরিমাণ সীমিত রাখার পাশাপাশি নগদ লেনদেনও কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আলিরাজপুর জেলায় আগে যেখানে প্রায় দেড় কেজি রুপো দেওয়ার রীতি ছিল, সেখানে এখন তা এক কেজিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সমাজের প্রতিনিধি শংকর তাড়ভির মতে, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে রীতিনীতিতে পরিবর্তন আনা জরুরি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande