আত্মবিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্বামী বিবেকানন্দের বক্তব্য আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে, দাবি বিজেপি-র
কলকাতা, ১০ জানুয়ারি (হি. স. ) : “ইংরেজ শাসন ও আত্মবিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্বামী বিবেকানন্দের যে বক্তব্য ছিল, তা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের সভাপতি ড. ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি
ড. ইন্দ্রনীল খাঁ


কলকাতা, ১০ জানুয়ারি (হি. স. ) : “ইংরেজ শাসন ও আত্মবিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্বামী বিবেকানন্দের যে বক্তব্য ছিল, তা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের সভাপতি ড. ইন্দ্রনীল খাঁ।

তিনি বলেন, রাজপথের নাম পরিবর্তন হয়ে কর্তব্য পথ, রাজভবন থেকে লোকভবন, ইন্ডিয়া গেটে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি স্থাপন, আন্দামান-নিকোবরের দ্বীপগুলির নাম পরিবর্তন—সবই আত্মপরিচয়ের পুনরুদ্ধারের দৃষ্টান্ত। স্বামীজীর ‘আত্মনির্ভরতা’র দর্শনেরই বাস্তব রূপ হল ‘আত্মনির্ভর ভারত’। করোনা কালে ভারত যেভাবে নিজস্ব ভ্যাকসিন তৈরি করে শুধু দেশবাসীকেই নয়, বিশ্বের ৮০টিরও বেশি দেশকে সহায়তা করেছে, তা নতুন ভারতের পরিচয় বহন করে।

ডঃ খাঁ বলেন, সৌভাগ্য যোজনা, জল জীবন মিশন, মেক ইন ইন্ডিয়া, আয়ুষ্মান ভারত—এই প্রকল্পগুলি স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শকেই বাস্তবে রূপ দিচ্ছে বলে তিনি জানান। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকারের বাধার কারণে আয়ুষ্মান ভারতের পূর্ণ সুবিধা এখনও মানুষ পাচ্ছেন না।

নারী শক্তি প্রসঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন স্বামী বিবেকানন্দের উক্তি—“যে দেশে নারীর পূজা নেই, সে দেশ কখনও বড় হতে পারে না।” লোকসভা ও বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ নারী সংরক্ষণ, পোষণ ২.০, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় নারীদের নামে ঘর বরাদ্দ, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, তিন তালাক প্রথা বাতিল—এসবের মাধ্যমে নারী শক্তির প্রকৃত সম্মান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে তিনি জানান।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande