ত্রিপুরায় দেশ-বিদেশে বণিকসমাজ, বিক্রি ১০ লক্ষাধিক টাকার আগর
ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ১০ জানুয়ারি (হি.স.) : উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমায় গড়ে ওঠা আগরশিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আজ শনিবার দুপুরে কদমতলার উত্তর ফুলবাড়িতে অবস্থিত মামন এন্টারপ্রাইজ ইন্ডাস্ট্রি পরিদর্শনে আসেন দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্য
ত্রিপুরায় দেশ-বিদেশে বণিকসমাজ, বিক্রি ১০ লক্ষাধিক টাকার আগর


ধর্মনগর (ত্রিপুরা), ১০ জানুয়ারি (হি.স.) : উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর মহকুমায় গড়ে ওঠা আগরশিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আজ শনিবার দুপুরে কদমতলার উত্তর ফুলবাড়িতে অবস্থিত মামন এন্টারপ্রাইজ ইন্ডাস্ট্রি পরিদর্শনে আসেন দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের এক প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরের আগর ব্যবসায়ীরাও ছিলেন।

প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের বন দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, উত্তর জেলা বন দফতরের সমস্ত আধিকারিক এবং অল ত্রিপুরা আগর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনফর আলি প্রমুখ বেশ কয়েকজন। পরিদর্শনের শুরুতে প্রতিনিধি দলটি ধর্মনগর মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত আগর বাগানের পাশাপাশি সদ্যনির্মিত আগর মার্কেট শেডও পরিদর্শন করেন তাঁরা।

পরে মামন এন্টারপ্রাইজ ইন্ডাস্ট্রিতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে মামন ইন্ডাস্ট্রির মালিক আনফর আলির বাড়িতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত একাধিক আগর কারখানার মালিক তাঁদের উৎপাদিত আগর উড চিপস, আগর অয়েল সহ আগরজাত বিভিন্ন সামগ্রী প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেন। পরিদর্শনে এসে ব্যবসায়ীরা ১০ লক্ষাধিক টাকার আগর সামগ্রী কিনেছেন।

অল ত্রিপুরা আগর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনফর আলি জানান, উত্তর জেলার আগর শিল্পের ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সাফল্য এবং এর ফলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার আগরের চাহিদা আরও বাড়বে।

রাজ্য বন দফতরের জনৈক আধিকারিক জানান, ত্রিপুরার আগর শিল্পকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা এবং বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠিত করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, গত ৮ এবং ৯ জানুয়ারি আগরতলায় দেশ-বিদেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি প্রদর্শনী ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এর উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। সেই কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক মানের ব্যবসায়ীরা উত্তর জেলায় এসে সরেজমিনে আগর শিল্প পরিদর্শন করেছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / মনোজিৎ দাস




 

 rajesh pande