আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কোচের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা এনএফ রেলের
গুয়াহাটি, ৮ জানুয়ারি (হি.স.) : এয়ার ব্রেক এবং নিউম্যাটিক সিস্টেমের লিকেজ শনাক্তকরণ এবং কোচের সুরক্ষা বৃদ্ধি করতে গুয়াহাটি কোচিং ডিপোরসিক লাইন ও পিট লাইনে অ্যাডভান্সড ফ্লুক আইআই ৯০৫ অ্যাকোস্টিক ইমেজার টেকনোলজি চালু করেছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে
আধুনিক প্রযুক্তিতে কোচের রক্ষণাবেক্ষণ এনএফ রেলের


গুয়াহাটি, ৮ জানুয়ারি (হি.স.) : এয়ার ব্রেক এবং নিউম্যাটিক সিস্টেমের লিকেজ শনাক্তকরণ এবং কোচের সুরক্ষা বৃদ্ধি করতে গুয়াহাটি কোচিং ডিপোরসিক লাইন ও পিট লাইনে অ্যাডভান্সড ফ্লুক আইআই ৯০৫ অ্যাকোস্টিক ইমেজার টেকনোলজি চালু করেছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে।

আজ বৃহস্পতিবার এক প্রেস বার্তায় এ খবর দিয়েছেন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা। প্রেস বার্তায় তিনি জানান, অ্যাকোস্টিক ইমেজার-এর ব্যবহার ডিভিলিকেজ, এয়ার বেলোলিকেজ এবং এয়ার ব্রেক পাইপ লিকেজ-এর দ্রুতভাবে ভিজুয়াল ডিটেকশন করার জন্য করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি দৃশ্যমান ছবির ওপর একটি অ্যাকোস্টিক সাউন্ড ম্যাপ দ্বারা কম্প্রেসড এয়ার ও গ্যাস লিকেজ সঠিকভাবে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। যার ফলে সঠিক, সুরক্ষিত এবং সময়-সাশ্রয়ী ডায়াগনসিস নিশ্চিত হয়। এই পদক্ষেপ এয়ার ব্রেক লিকেজ শনাক্তকরণের নির্ভরযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করে, ডায়াগনস্টিকের সময় কম করে এবং সময়মতো সংশোধনে সহায়তা করে। ফলে পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুয়াহাটি কোচিং ডিপোয় পিটলাইন কর্মীদের কম্পিউটারাইজড আরটিআর মেশিন চালানো এবং অ্যাডভান্সড ডায়াগনস্টিক টুল্স ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া, গুয়াহাটির সিকলাইন “ওয়ানডে ওয়ান কোচ–ইনটেনসিভ” পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর অধীনে প্রতিদিন একটি কোচ সম্পূর্ণ ও ভার হলিঙের জন্য নেওয়া হয়। এই কাজের মধ্যে বাইরের অংশে রঙকৃত যাত্রীদের সুবিধার জন্য সরঞ্জাম স্থাপন, বার্থের রেক্সিন পরিবর্তন, লিনেন স্টোরেজের মেরামত, শৌচাগারে নতুন ইপিপিএফ সিলিন্ডার স্থাপন, নতুন ডাস্টবিন এবং সাইড মিরর স্থাপনের কাজ রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই পদক্ষেপের অধীনে তিনটি কোচের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এই পদক্ষেপগুলি যাত্রী সুরক্ষা, উন্নত রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ধারাবাহিক উন্নয়নের প্রতি উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অঙ্গীকারকে পুনঃনিশ্চিত করে, জানানো হয়েছে প্রেস বার্তায়।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande