“আইনবিরোধী, অনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ভয়ঙ্কর নজির”, তোপ শমীকের
কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি স)। “তদন্তকারী সংস্থার কাজে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থী”। বৃহস্পতিবার রাজ্য বিজেপি সল্টলেক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে দৃঢ়ভাবে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। মুখ্য
শমীক ভট্টাচার্য


কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি স)। “তদন্তকারী সংস্থার কাজে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থী”। বৃহস্পতিবার রাজ্য বিজেপি সল্টলেক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে দৃঢ়ভাবে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সংবিধানের শপথ নেওয়ার পরেও সরাসরি একটি সরকারি তদন্তকারী সংস্থার ফৌজদারি তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করা সম্পূর্ণ আইনবিরোধী, অনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ভয়ঙ্কর নজির।

শমীক ভট্টাচার্য বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও হার্ডডিস্ক নিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে দিয়েছে যে তৃণমূল কংগ্রেস দুর্নীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এবং অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। কয়লা কেলেঙ্কারি ও হাওয়ালা সংক্রান্ত তদন্তে তৃণমূলের একাধিক নেতা ও পুরো ব্যবস্থাই জড়িত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, অবৈধ খনন, সরকারি চাকরি বণ্টন থেকে শুরু করে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়াকে আড়াল করতে মুখ্যমন্ত্রী অযৌক্তিকভাবে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন, যা নজিরবিহীন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শমীকবাবু স্পষ্ট করেন, ইডি বা সিবিআই কেন তদন্ত করছে তা সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিষয়, বিজেপি তাদের মুখপাত্র নয়।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande