কমিশনকে মমতার তোপ, পাল্টা জবাব কমিশনের
মৌসুমী সেনগুপ্ত কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি. স.): “এসআইআর শুনানির অজুহাতে, কমিশন সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে, এমনকি নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী এবং অভিনেতা দেবের মতো বাংলার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরাও একই ধরণের অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি হচ্ছেন”।
কমিশনকে মমতার তোপ


মৌসুমী সেনগুপ্ত

কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি. স.): “এসআইআর শুনানির অজুহাতে, কমিশন সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে, এমনকি নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী এবং অভিনেতা দেবের মতো বাংলার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরাও একই ধরণের অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি হচ্ছেন”। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভিডিয়ো-ভাষণ যুক্ত করে এক্সবার্তায় শেয়ার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই মম্তব্যের প্রতিবাদ করল ইসি।

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে এক্সবার্তায় তৃণমূলের অভিযোগ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, মহিলাদের নাম বেশি সংখ্যক বাদ দেওয়া হচ্ছে। সম্পূর্ণ তথ্য প্রদান না করেই লজিস্টিকাল অসঙ্গতি-এর নামে নোটিশ জারি করা হচ্ছে। কমিশনের স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে মাননীয়া চেয়ারপারসন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দৃঢ়ভাবে কথা বলেছেন।”

ইসি-র বক্তব্য, কেবল নামী ব্যক্তিত্ব নয়, যে কারও হেনস্থার বিষয়টিই দুঃখজনক। একাধিক আইন মেনে হচ্ছে এসআইআর। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা যাঁদের নোটিশ দিচ্ছেন, প্রতিটি ক্ষেত্রেই যুক্তি রয়েছে। নোটিশপ্রাপ্তরা প্রয়োজনীয় নথি দেখিয়ে দিলেই আধিকারিকরা ভোটদাতার নামের অনুমোদন দিচ্ছেন। এটাকে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ বলে দাঘিয়ে দিলে ভোটকর্মী এবং ইসি-র যাঁরা নিরলস কাজ করছেন, তাঁদের প্রতি অবমাননা করা হয়।

সংবিধান-সম্মত এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করতে গিয়ে ‘মহিলাদের নাম বেশি সংখ্যক বাদ দেওয়ার’ যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার কোনও প্রমাণ আছে? ‘স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের’ যে তকমা দেওয়া হয়েছে, তা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচায়ক।

এ ছাড়াও, কমিশন মনে করে যে সাধারণ মানুষের, প্রকৃত ভোটারের একটা ব্যথা আছে। বেশিরভাগ যন্ত্রণার কারণ হল ভোটার তালিকার কারসাজি। এর জন্য সাধারণ মানুষের অনেকে নির্বাচনী অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে তারা একটি পরিষ্কার ভোটার তালিকা পেতে চায়।

নির্বাচনে তাদের পছন্দের প্রকৃত মূল্য বজায় রাখার জন্য তারা অনেকে ত্যাগ, বা কষ্ট করতেও রাজি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande