নেতাই হাইস্কুলে শিক্ষক-সংকট মেটাতে উদ্যোগ বন দফতরের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার
ঝাড়গ্রাম, ৮ জানুয়ারি (হি.স.) : নেতাই হাইস্কুলে দীর্ঘদিনের শিক্ষক-সংকট নিরসনে উদ্যোগী হলেন রাজ্যের বন দফতরের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। ইতিমধ্যেই তিনি বিষয়টি শিক্ষা দফতরের নজরে এনেছেন এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে প্রয়োজনীয়
নেতাই হাইস্কুলে শিক্ষক-সংকট মেটাতে উদ্যোগ বন দফতরের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার


ঝাড়গ্রাম, ৮ জানুয়ারি (হি.স.) : নেতাই হাইস্কুলে দীর্ঘদিনের শিক্ষক-সংকট নিরসনে উদ্যোগী হলেন রাজ্যের বন দফতরের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। ইতিমধ্যেই তিনি বিষয়টি শিক্ষা দফতরের নজরে এনেছেন এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বুধবার নেতাই দিবস উপলক্ষে লালগড়ের নেতাই গ্রামে শহীদ দিবসের স্মরণসভা চলাকালীন ইউনিফর্ম পরা একদল পড়ুয়া প্ল্যাকার্ড হাতে উপস্থিত হয়ে স্কুলে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি তোলে। বিষয়টি জানার পর মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা নিজে পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

পড়ুয়াদের অভিযোগ, নেতাই হাইস্কুলে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৩১৭ জন ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করলেও টিচার-ইনচার্জসহ শিক্ষক রয়েছেন মাত্র চারজন। স্কুলে কোনও ক্লার্ক বা চতুর্থ শ্রেণির কর্মীও নেই। এর ফলে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং একাধিক বিষয়ে পড়াশোনায় ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

ছাত্রছাত্রীরা জানান, ইংরেজি, বাংলা, ভৌত বিজ্ঞান, জীবন বিজ্ঞান ও সংস্কৃতের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষক না থাকায় পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ বহু পড়ুয়ার ভর্তি প্রক্রিয়াও এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। গ্রামে বিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ না পেলে অনেক পড়ুয়ার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করে তারা।

পড়ুয়াদের এই দাবি ও পরিস্থিতি সামনে আসতেই মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা আশ্বাস দেন যে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। সভা শেষ হওয়ার পরই তিনি কলকাতায় গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৃহস্পতিবার মন্ত্রী বলেন, “নেতাই হাইস্কুলের শিক্ষক-সংকটের বিষয়টি আমি নিজে শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছি। দ্রুত যাতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা যায়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।”

জেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত শিক্ষক পদের অনুমোদন না থাকায় এতদিন নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোয়নি। তবে মন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপে বিষয়টি ফের প্রশাসনিক স্তরে সক্রিয়ভাবে বিবেচিত হচ্ছে। মন্ত্রীর এই তৎপরতায় স্কুল কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক ও পড়ুয়াদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে যে, শীঘ্রই নেতাই হাইস্কুলের শিক্ষক-সংকটের সমাধান হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / গোপেশ মাহাতো




 

 rajesh pande