“পূর্ববাংলায় ঢিল মারলে পশ্চিমবাংলায় পাটকেল খেতে হবে”, বার্তা তথাগতের
কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি স): “মেরেছ কলসির কানা, তা বলে কি প্রেম দেব না’ মহাপুরুষদের জন্য তোলা থাক, সাধারণ মানুষের জীবনে এর কোন প্রয়োগ নেই। সাধারণ মানুষের নিয়ম, পূর্ববাংলায় ঢিল মারলে পশ্চিমবাংলায় পাটকেল খেতে হবে। বৃহস্পতিবার এক্সবার্তায় এ কথা লিখে
তথাগত


কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি স): “মেরেছ কলসির কানা, তা বলে কি প্রেম দেব না’ মহাপুরুষদের জন্য তোলা থাক, সাধারণ মানুষের জীবনে এর কোন প্রয়োগ নেই। সাধারণ মানুষের নিয়ম, পূর্ববাংলায় ঢিল মারলে পশ্চিমবাংলায় পাটকেল খেতে হবে। বৃহস্পতিবার এক্সবার্তায় এ কথা লিখেছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।

তিনি লিখেছেন, “এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট, ভ্যানগার্ডকে ধন্যবাদ। যেহেতু হিন্দু বাঙালিরা রবীন্দ্রনাথ, স্বামী বিবেকানন্দ ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রকে সমালোচনার ঊর্ধে মনে করে তাই একটা প্রবণতা অনেকের মধ্যে দেখতে পাওয়া যায়, এঁদের কোন একটা উক্তি প্রসঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের বক্তব্যকে সমর্থন করার চেষ্টা।

হিন্দু-মুসলমান সম্পর্ক বাংলা ভাগের আগে যা ছিল ভাগের পরে তা নয়, হতে পারে না । পূর্ববঙ্গ বা বর্তমান বাংলাদেশে হিন্দুরা (সঙ্গে মুষ্টিমেয় কিছু বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সমেত) মুসলমানের পদানত হয়ে তাদের দয়াতে, ভয়ে ভয়ে, কোনোগতিকে বেঁচে আছে । তাদের অনুপাত ১৯৪৭ সালে ছিল ২৯% সেটা এখন মাত্র ৮% । এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানেরা পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুর সঙ্গে সমানে সমানে থাকবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এটা অস্বাভাবিক, হতে পারে না । কিন্তু আমাদের তথাকথিত ‘সেকুলার' রাজনৈতিক দলগুলি মুসলমান ভোটের লোভে এরকমই একটা বিশ্বাস লোকের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিল - সেটা থেকে এখন আস্তে আস্তে লোক বেরিয়ে আসছে ।

আমরা হিন্দুরা অন্য ধর্মের লোককে অকারণে খুন-ধর্ষণ করায় বিশ্বাসী নই - তাই এখানে মুসলমানদের ঐরকম পদানত হয়ে ভয়ে ভয়ে বেঁচে থাকতে হবে না। কিন্তু হিন্দুপ্রাধান্য স্বীকার করতে হবে। রাজধানী কলকাতার মেয়র হবে একজন মুসলমান, হুমায়ুন কবিরের মত একটা পাতি নেড়ে মুর্শিদাবাদ জেলার হিন্দুদের ভাগীরথীর জলে ফেলে দেবার ভয় দেখাবে, এ জিনিস সহ্য করা হবে না। কেউ ভাবতে পারেন, ঢাকা বা চট্টগ্রাম শহরের এক হিন্দু মেয়র?

মানুষের জীবনের একটা অমোঘ নিয়ম হচ্ছে reciprocity। শয়তান মোহনদাস গান্ধীর ভণ্ড বচন ছুঁড়ে ফেলে দিতে হবে।..... দেশভাগ-পূর্ববর্তী পরিস্থিতে বলা নেতাজি সুভাষচন্দ্রের বহু উক্তিরই এখন কোন প্রাসঙ্গিকতা নেই।”

ভ্যানগার্ড নামধারী একটি পোস্টে লেখা হয়েছিল, “সুভাষ যা লিখেছন, বলেছেন, করেছেন, সব অবিভক্ত বাংলায় এবং ভারতের সীমানার মধ্যে। ওনাকে ভুল আর ব্যর্থ করে মুসলমানেরা ভোট দিয়ে আলাদা হয়ে গিয়েছে। আমাদের ভারত আর ওনার ভারত এক নয়।

আর যদি পড়াতে হয় বাংলাদেশীদের পড়ান। হিন্দু হত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়ন বন্ধ করতে বলুন। ভারতে যোগ দিতে বলুন।” তার প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেছেন তথাগতবাবু।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande