
কলকাতা, ৮ জানুয়ারি (হি. স.) : “ভবিষ্যতে রাজ্যে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করে জানানো হবে গত ১৪ বছরে দুর্নীতিগ্রস্তদের বাঁচাতে কত হাজার কোটি টাকা নামী আইনজীবীদের ফি হিসেবে ব্যয় করা হয়েছে”। বৃহস্পতিবার রাজ্য বিজেপি সল্টলেক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য সভাপতি ও রাজ্যসভা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।
তিনি এই খাতে বিপুল ব্যয় সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের করের টাকার অপরাধমূলক অপব্যবহার বলে আখ্যা দেন। বলেন, পশ্চিমবঙ্গে অধিকাংশ তদন্তই মহামান্য আদালতের নির্দেশে চলছে এবং প্রতিটি তদন্ত আটকাতে রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের করের টাকা খরচ করে বারবার সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরাজিত হয়েছে।
শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ফৌজদারি তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় এই ধরনের অনধিকার হস্তক্ষেপ কোনো সুস্থ সমাজ মেনে নিতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রীর সাংবিধানিক পদমর্যাদা থাকা সত্ত্বেও তাঁর এই আচরণে পশ্চিমবঙ্গের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করবেন এবং আগামী নির্বাচনে তার প্রতিফলন ঘটাবেন।
আদালতের নির্দেশে চলা তদন্তে হস্তক্ষেপ করা একদিকে আদালত অবমাননা, অন্যদিকে কর্তব্যরত আধিকারিকদের উপর আক্রমণ এবং প্রমাণ লোপের শামিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। অতীতেও রাজীব কুমার ও ফিরহাদ হাকিম সংক্রান্ত ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এদিনের ঘটনা সেই ধারাবাহিকতারই চরম উদাহরণ।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত