


মির্জাপুর, ১৯ মার্চ (হি.স.) : চৈত্র নবরাত্রির প্রথম দিনেই ভোর থেকে ভক্তদের ঢল নেমেছে বিন্ধ্যধামে। মা বিন্ধ্যবাসিনী মন্দিরের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় দর্শনার্থীদের ভিড়। মঙ্গলারতির পর থেকেই ‘জয় মা বিন্ধ্যবাসিনী’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মঙ্গলারতির প্রায় এক ঘণ্টা আগে থেকেই মন্দিরের প্রবেশদ্বার ও ঝাঁকি দর্শনের জায়গায় দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। দরজা খোলার পর ধীরে ধীরে ভক্তরা এগোতে থাকেন। মূল সড়ক ধরে বাওলি চৌরাহা পর্যন্ত দীর্ঘ সারি তৈরি হয়, যেখানে তীব্র গরমের মধ্যেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা যায় ভক্তদের।
বুধবার মধ্যরাত থেকেই নবরাত্রি মেলার সূচনা হয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা প্রথমে গঙ্গাস্নান করে ভোরে মায়ের দর্শন করেন। পরে অষ্টভুজা দেবী ও অন্যান্য মন্দিরে পুজো দিয়ে ত্রিকোণ পরিক্রমাও সম্পন্ন করেন। মন্দির চত্বর রঙিন আলো ও সাজসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। ভক্তদের সুবিধার্থে ভিআইপি, পুরোহিত ও সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য পৃথক সারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঝাঁকি দর্শনের জন্যও আলাদা সারি রাখা হয়েছে। গরমের কথা মাথায় রেখে প্রধান সড়কগুলিতে তাঁবুর ব্যবস্থা করেছে পূর্ত দফতর। প্রথম দিনেই বিপুল ভিড়ের ফলে গোটা বিন্ধ্য অঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য