সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ধ্বংস আমেরিকার নজরদারি বিমান
তেহরান, ২৯ মার্চ (হি.স.): পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাত পড়লো পঞ্চম সপ্তাহে| ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। রবিবার সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন বায়ুসেনার অত্যাধুনিক ই-৩জি স
সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, ধ্বংস মার্কিন নজরদারি বিমান


তেহরান, ২৯ মার্চ (হি.স.): পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইরানের সংঘাত পড়লো পঞ্চম সপ্তাহে| ফের নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। রবিবার সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন বায়ুসেনার অত্যাধুনিক ই-৩জি সেন্ট্রি ‘অ্যাওয়াক্স’ নজরদারি বিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হামলার দায় স্বীকার করে জানিয়েছে, এই যৌথ হামলায় মার্কিন জ্বালানি সরবরাহ ও বিমান সহায়তা বহরকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তাসনিম সংবাদ সংস্থার দাবি, হামলায় একাধিক সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

জানা গিয়েছে, হামলাটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে চালানো হয় এবং বিমানটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ রাডার ডোমকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়। এই অংশেই অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপিত থাকে, যা বিমানটির মূল কার্যক্ষমতার কেন্দ্র। হামলার ফলে বিমানটির পিছনের অংশে ব্যাপক কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সম্প্রতি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র অংশ হিসেবে বিমানটি ওই ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছিল।

বিভিন্ন রিপোর্টে জানা গিয়েছে, এই হামলায় ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৯টি সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করা হয়। হামলায় অন্তত ১৫ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, লক্ষ্যবস্তু বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং পাশেই থাকা আরও কয়েকটি বিমানে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। যদিও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এখনও এই হামলার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

উল্লেখ্য, ই-৩ ‘অ্যাওয়াক্স’ বিমান মার্কিন বায়ুসেনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আকাশ নজরদারি ও কমান্ড প্ল্যাটফর্ম, যা ২৫০ মাইলেরও বেশি দূরত্বে নজরদারি চালাতে সক্ষম। এই বিমান ধ্বংস হওয়ায় অঞ্চলে মার্কিন নজরদারি ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাল্টা জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ও ইজরায়েলি ঘাঁটিগুলিতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যার জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande