লুফথানসার কেবিন ক্রুদের ধর্মঘটে জার্মানিতে বিমান চলাচল ব্যাহত, বাতিল ৯৮০ উড়ান
বার্লিন, ১০ এপ্রিল (হি.স.) : জার্মানির প্রধান বিমান সংস্থা লুফথানসা-র কেবিন ক্রুদের একদিনের ধর্মঘটের জেরে শুক্রবার দেশজুড়ে বিমান পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সবচেয়ে ব্যস্ত ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর এবং মিউনিখ বিমানবন্দরে আসা-যাওয়া মিলিয়ে মোট ৯৮০ট
লুফথানসার কেবিন ক্রুদের ধর্মঘটে জার্মানিতে বিমান চলাচল ব্যাহত, বাতিল ৯৮০ উড়ান


বার্লিন, ১০ এপ্রিল (হি.স.) : জার্মানির প্রধান বিমান সংস্থা লুফথানসা-র কেবিন ক্রুদের একদিনের ধর্মঘটের জেরে শুক্রবার দেশজুড়ে বিমান পরিষেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সবচেয়ে ব্যস্ত ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর এবং মিউনিখ বিমানবন্দরে আসা-যাওয়া মিলিয়ে মোট ৯৮০টি উড়ান বাতিল করতে হয়েছে। এতে প্রায় ৯০ হাজারেরও বেশি যাত্রী সমস্যায় পড়েছেন।

জানা গিয়েছে, ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে নির্ধারিত প্রায় ১,৩৫০টি উড়ানের মধ্যে প্রায় ৫৮০টি বাতিল হয়। অন্যদিকে মিউনিখ বিমানবন্দরে প্রায় ৪০০টি উড়ান প্রভাবিত হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ—দুই ধরনের বিমান চলাচলেই বড়সড় প্রভাব পড়ে।

ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টস অর্গানাইজেশন (আইএফএও)-এর ডাকে এই একদিনের ধর্মঘট শুরু হয় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের কিছু পরে এবং শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত চলে। লুফথানসার সহযোগী সংস্থা সিটিলাইনের কেবিন ক্রুরাও দেশের ন’টি বিমানবন্দরে এই ধর্মঘটে অংশ নেন।

ইউনিয়নের অভিযোগ, বেতন ও কাজের শর্ত সংক্রান্ত আলোচনায় লুফথানসা কর্তৃপক্ষ সন্তোষজনক প্রস্তাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি জোয়াকিম ভাজকেজ বার্গার বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এই পরিস্থিতি এড়ানো যেত। যদিও ইস্টারের ব্যস্ত ভ্রমণ মরসুমে যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে আগে ধর্মঘট এড়ানো হয়েছিল বলেও দাবি তাদের।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় লুফথানসা যাত্রীদের বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে উড়ানের অবস্থা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থা জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিকল্প ব্যবস্থা ও তথ্য পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি জরুরি পরিকল্পনার আওতায় অতিরিক্ত উড়ান ও বড় বিমান ব্যবহার করা হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি বছরে লুফথানসায় শ্রমিক অসন্তোষের জেরে এটি সর্বশেষ ধর্মঘট। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসেও পাইলটদের সংগঠন ককপিট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যৌথভাবে একদিনের ধর্মঘটে বহু উড়ান বাতিল হয়েছিল।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande