
কলকাতা, ২৩ এপ্রিল (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়ে গেল বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এই জেলাগুলি হল কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম। নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটদান কেন্দ্রে আঁটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা। এই পর্বে ১,৪৭৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করছেন ৩ কোটি ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটদাতা। সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথের সামনে ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে। ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টা থেকে, চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে। মুর্শিদাবাদের দুই পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট ৩১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। এর পরেই রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। সেখানে ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এই দফায় ভোট হচ্ছে সমগ্র উত্তরবঙ্গে। বিজেপির কাছে প্রথম দফার সবচেয়ে বড় আশার জায়গা উত্তরবঙ্গ। গত বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে বিজেপি অভাবনীয় ফল করেছিল। কোচবিহারের মাথাভাঙা আসনে লড়ছেন হেভিওয়েট নেতা নিশীথ প্রামাণিক, যা বিজেপির জন্য অত্যন্ত নিশ্চিত আসন হিসেবে ধরা হচ্ছে। এছাড়া শিলিগুড়ি আসনে শঙ্কর ঘোষ এবং ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি আসনে শিখা চট্টোপাধ্যায়ের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির। সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ লড়াই হতে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে, যেখানে সরাসরি লড়ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর সদর আসনে দিলীপ ঘোষের পুনরুত্থান বিজেপির জন্য বড় অক্সিজেন হতে পারে। আসানসোল শিল্পাঞ্চলেও আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে অগ্নিমিত্রা পলের ওপর ভরসা রাখছে দল।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ