রাজগঞ্জের ঘরের মেয়ে হয়ে কাজ করতে চাই’, সপরিবারে ভোট দিয়ে আশীর্বাদ চাইলেন স্বপ্না বর্মন
জলপাইগুড়ি, ২৩ এপ্রিল (হি. স.) : ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণে উত্তরবঙ্গের অন্যতম নজরে থাকা কেন্দ্র হলো রাজগঞ্জ। আর এই কেন্দ্র থেকেই এদিন নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রথম অগ্নিপরীক্ষায় অবতীর্ণ হলেন এশিয়াড সোনাজয়ী অ্যাথলিট তথা তৃণমূল কংগ্র
স্বপ্না বর্মন


জলপাইগুড়ি, ২৩ এপ্রিল (হি. স.) : ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণে উত্তরবঙ্গের অন্যতম নজরে থাকা কেন্দ্র হলো রাজগঞ্জ। আর এই কেন্দ্র থেকেই এদিন নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রথম অগ্নিপরীক্ষায় অবতীর্ণ হলেন এশিয়াড সোনাজয়ী অ্যাথলিট তথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বুথে গিয়ে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে স্বপ্না জানান, জনগণের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি রাজগঞ্জের ঘরের মেয়ে হিসেবেই মানুষের সেবা করতে চান।

স্বপ্নার এই লড়াই দীর্ঘ সংগ্রামের। এশিয়াডে সোনা জিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করলেও পিঠের চোটের কারণে অ্যাথলেটিক্স কেরিয়ারে ইতি টানতে হয়েছিল তাঁকে। ২০২০ সাল থেকে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে কর্মরত ছিলেন তিনি। তবে মানুষের জন্য কাজ করার তাগিদে সম্প্রতি সেই চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে সরাসরি রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন স্বপ্না। রেলের চাকরি ছাড়ার প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে প্রচার সেরে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লড়াইয়ে নেমেছেন এই ‘গোল্ডেন গার্ল’।

প্রথমবার প্রার্থী হিসেবে ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে স্বপ্না বলেন, “ভোট দেওয়া আমার অধিকার ও পবিত্র কর্তব্য। সপরিবারে ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে।” একই সঙ্গে এদিন সকাল থেকেই রাজগঞ্জ ও সংলগ্ন এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোটদান প্রক্রিয়া চলায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। স্বপ্না বলেন, “বেলা ১১টা পর্যন্ত রাজগঞ্জে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। এজন্য আমি নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাধারণ মানুষের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারাও নির্ভয়ে বুথে এসে নিজেদের কর্তব্য পালন করুন।”

নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী স্বপ্না ভোটারদের কাছে একটি আবেগঘন বার্তাও দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। আমাকে আশীর্বাদ করবেন। ভোট দেওয়ার আগে শুধু আশপাশের পরিস্থিতি আর উন্নয়নের কথা মাথায় রাখবেন।” এদিন স্বপ্নার সঙ্গে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তাঁর মা-ও। মেয়ের এই নতুন যাত্রায় তিনি যথেষ্ট উৎসাহিত এবং রাজগঞ্জবাসী স্বপ্নাকে দু’হাত ভরে আশীর্বাদ করবেন বলেই তাঁর বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, প্রথম দফার এই নির্বাচনে বেলা ১টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রায় ৬২.১৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। রাজগঞ্জেও সকাল থেকেই বুথগুলিতে ছিল দীর্ঘ লাইন। খেলার ট্র্যাকে সোনা জয়ী স্বপ্না এবার রাজনীতির ট্র্যাকে শেষ হাসি হাসতে পারেন কি না, তা জানা যাবে আগামী ৪ মে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande