ডব্লিউএইচও যেখানে থেমেছিল, ‘বিশ্ব ভেষজ সংহিতা’ তৈরি করে নজির গড়ল পতঞ্জলি
হরিদ্বার, ৮ এপ্রিল (হি.স.) : যে বৈশ্বিক প্রকল্পকে অত্যন্ত জটিল বলে সীমিত পর্যায়ে থামিয়ে দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), সেই ক্ষেত্রেই দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে ‘বিশ্ব ভেষজ সংহিতা’-র ১০৯টি খণ্ড প্রস্তুত করে নতুন নজির গড়ার দাবি করেছে পতঞ্জলি
ডব্লিউএইচও যেখানে থেমেছিল, ‘বিশ্ব ভেষজ সংহিতা’ তৈরি করে নজির গড়ল পতঞ্জলি


হরিদ্বার, ৮ এপ্রিল (হি.স.) : যে বৈশ্বিক প্রকল্পকে অত্যন্ত জটিল বলে সীমিত পর্যায়ে থামিয়ে দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), সেই ক্ষেত্রেই দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে ‘বিশ্ব ভেষজ সংহিতা’-র ১০৯টি খণ্ড প্রস্তুত করে নতুন নজির গড়ার দাবি করেছে পতঞ্জলি যোগপীঠ।

সংস্থার মহামন্ত্রী আচার্য বালকৃষ্ণ জানান, ১৯৯৯ সালে বিশ্বজুড়ে ভেষজ-ভিত্তিক চিকিৎসা ও প্রাচীন জ্ঞানকে সংকলিত করার উদ্যোগ নেয় ডব্লিউএইচও। তবে ২০১০ সাল পর্যন্ত তারা মাত্র তিনটি খণ্ড প্রকাশ করতে সক্ষম হয়।

অন্যদিকে, পতঞ্জলি ২০০৩-০৪ সাল থেকে এই কাজ শুরু করে। সংস্থার দাবি, প্রায় ৩ লক্ষ ৬০ হাজার উদ্ভিদের মধ্যে থেকে ৫০ হাজার ঔষধি গাছ চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০০০-এরও বেশি জনজাতির ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতির নথিভুক্তকরণ এবং ৯৬৪টি নিরাময় পদ্ধতির সংকলন করা হয়েছে। প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার পৃষ্ঠাজুড়ে বিস্তৃত এই গ্রন্থ ২২০০-রও বেশি সূত্রের উপর ভিত্তি করে প্রস্তুত হয়েছে।

আচার্য বালকৃষ্ণের দাবি, এই গবেষণার প্রতি আন্তর্জাতিক আগ্রহও বাড়ছে। তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির উন্নয়নে তথ্যভাণ্ডার হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে গুগল পতঞ্জলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাঁর মতে, এটি ভারতীয় প্রাচীন জ্ঞানের বৈশ্বিক স্বীকৃতিরই প্রতিফলন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande