রপ্তানিতে জট কাটাতে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের হস্তক্ষেপের দাবি নেপালের ব্যবসায়ীদের
কাঠমান্ডু, ১৬ মে (হি.স.): ভারতের নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারির পর নেপালের চা শিল্পে গভীর সংকট তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের সরাসরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন নেপালের চা ব্যবসায়ীরা।
রপ্তানিতে জট কাটাতে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের হস্তক্ষেপের দাবি নেপালের ব্যবসায়ীদের


কাঠমান্ডু, ১৬ মে (হি.স.): ভারতের নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারির পর নেপালের চা শিল্পে গভীর সংকট তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের সরাসরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন নেপালের চা ব্যবসায়ীরা।

জানা গিয়েছে, ১ মে থেকে ভারত নতুন নিয়ম চালু করেছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী ভারতে প্রবেশ করা নেপালি চায়ের প্রতিটি ট্রাক এবং প্রতিটি চালানের আলাদা ল্যাব টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে গত প্রায় অর্ধমাস ধরে চা রপ্তানি কার্যত বন্ধের মুখে পড়েছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, নয়াদিল্লিতে নেপালের দূতাবাস ইতিমধ্যেই ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রক এবং ইন্ডিয়ান টি বোর্ডের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমস্যার কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাই এবার প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে সরাসরি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

নেপাল চা উৎপাদক সংঘের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শিবকুমার গুপ্ত জানান, ভারতীয় ক্রেতারা নিজেদের ঝুঁকিতে খুব সীমিত পরিমাণ চা কিনছেন। গত দুই সপ্তাহে মাত্র দু’টি ট্রাকে প্রায় ১০ থেকে ১২ টন তরাই অঞ্চলের চা এবং ৪ থেকে ৫ টন পাহাড়ি চা রপ্তানি হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে চা উৎপাদনের মরশুম শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহে উৎপাদন আরও বাড়বে। তার আগে রপ্তানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সংরক্ষণের অভাবে চাষি ও ব্যবসায়ীদের বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

অন্যদিকে নেপাল টি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কমল মাইনালি জানান, নতুন নিয়মের ফলে ব্যবসায়িক ঝুঁকি অনেক বেড়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, চা যদি ১৫ দিন সীমান্তে আটকে থাকে তাহলে তার গুণমান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি ল্যাব পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে সেই চা ধ্বংস করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষার রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত চা বিক্রি করা যাবে না। আবার পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে সেই চা নেপালে ফিরিয়ে আনতেও ৪০ শতাংশ কাস্টম শুল্ক এবং ১৩ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে। ফলে ব্যবসায়ীদের বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, নেপালের অন্যতম প্রধান রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের বাজার বাঁচাতে দ্রুত উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande