উত্তর কোরিয়ার ফের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, সমুদ্রের দিকে ছোড়া হল একাধিক ব্যালিস্টিক মিসাইল : দাবি দক্ষিণ কোরিয়ার
সিওল, ২৬ মে (হি. স.): উত্তর কোরিয়া ফের সমুদ্রের দিকে একাধিক অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করল দক্ষিণ কোরিয়া। মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) জানায়, উত্তর কোরিয়ার পশ্চিম উপকূল থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছ
উত্তর কোরিয়ার ফের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, সমুদ্রের দিকে ছোড়া হল একাধিক ব্যালিস্টিক মিসাইল : দাবি দক্ষিণ কোরিয়ার


সিওল, ২৬ মে (হি. স.): উত্তর কোরিয়া ফের সমুদ্রের দিকে একাধিক অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করল দক্ষিণ কোরিয়া। মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) জানায়, উত্তর কোরিয়ার পশ্চিম উপকূল থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। চলতি বছরে এটি উত্তর কোরিয়ার অষ্টম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বলে দাবি সিওলের।

জানা গেছে , দুপুর প্রায় ১টা নাগাদ উত্তর পিয়ংইয়ান প্রদেশের জংজু এলাকা থেকে পশ্চিম সাগরের দিকে একাধিক স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এর আগে গত ১৯ এপ্রিলও উত্তর কোরিয়া একাধিক স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছিল।

জেসিএস-এর দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রগুলি প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করেছে। সেগুলির নির্দিষ্ট ক্ষমতা ও গতিপথ নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য আরও উৎক্ষেপণের আশঙ্কায় নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এই পরিস্থিতি সম্পর্কে আমেরিকা ও জাপানকেও অবহিত করা হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র পার্ক ইল এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “আমরা উত্তর কোরিয়াকে ফের শান্তির পথে ফেরার এবং উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টায় সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নীতির প্রতি অটল এবং কোরীয় উপদ্বীপকে সম্পূর্ণ পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরমাণু কূটনীতি ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ধারাবাহিক ভাবে পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছেন। যদিও ট্রাম্প একাধিক বার কিমের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, উত্তর কোরিয়ার তরফে এখনও পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande