ডিএ ঘোষণা ‘প্রতারণার কৌশল’, দাবি পিএসকেইউ-র
কলকাতা, ২২ জুন (হি. স.) : রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আগামী অক্টোবর মাস থেকে সরকারি ও আধা-সরকারি কর্মীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এবং আগামী বছর সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। তবে এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়ে
ডিএ ঘোষণা ‘প্রতারণার কৌশল’, দাবি পিএসকেইউ-র


কলকাতা, ২২ জুন (হি. স.) : রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আগামী অক্টোবর মাস থেকে সরকারি ও আধা-সরকারি কর্মীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এবং আগামী বছর সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। তবে এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন (পিএসকেইউ)-এর সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ দাস সোমবার এক বিবৃতিতে সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন।তাঁর অভিযোগ, তিন মাস বিলম্ব করে ডিএ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত কর্মচারীদের সঙ্গে বঞ্চনার সামিল। তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকার সংক্ষিপ্ত বাজেটে সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা করলেও গত এপ্রিল মাস থেকে প্রতিশ্রুত ৪ শতাংশ ডিএ কার্যকর করেনি। নবগঠিত সরকারও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি বলে অভিযোগ তাঁর।

শুভাশীষ দাসের বক্তব্য, সেপ্টেম্বরের মধ্যে যাঁরা অবসর নেবেন, তাঁরা শুধু ডিএ থেকেই বঞ্চিত হবেন না, গ্র্যাচুইটি ও অর্জিত ছুটি নগদীকরণের ক্ষেত্রেও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন। তাঁর দাবি, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হলে বর্তমান ডিএ-র শতাংশভিত্তিক হিসাব কার্যত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে। তাই অক্টোবর থেকে ২০ শতাংশ ডিএ ঘোষণাকে ‘বড় অঙ্ক দেখিয়ে বাহবা কুড়োনোর কৌশল’ বলে আখ্যা দিয়েছে সংগঠনটি। অবিলম্বে জুলাই মাস থেকে, পূর্বঘোষিত ৪ শতাংশ-সহ অন্তত ২০ শতাংশ ডিএ কার্যকর করার দাবি জানিয়েছে পিএসকেইউ।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande