রাহুল গান্ধীর লাল রঙের ছোট্ট সংবিধান পুস্তিকাতেও রয়েছে জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধীর গণতন্ত্র হত্যার উল্লেখ : হিমন্তবিশ্ব
গুয়াহাটি, ২৫ জুন (হি.স.) : জনসভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধী যে ছোট আকারের সংবিধানের লাল পুস্তিকা প্রদর্শন করেন, সেই পুস্তিকাতেই ১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ঘোষিত জরুরি অবস্থার সময় গণতন্ত্র ও সংবিধানকে কীভাবে পদদলিত করা হ
বক্তব্য পেশ করছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা


গুয়াহাটি, ২৫ জুন (হি.স.) : জনসভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধী যে ছোট আকারের সংবিধানের লাল পুস্তিকা প্রদর্শন করেন, সেই পুস্তিকাতেই ১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ঘোষিত জরুরি অবস্থার সময় গণতন্ত্র ও সংবিধানকে কীভাবে পদদলিত করা হয়েছিল, তার উল্লেখ রয়েছে, বক্তা অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা।

আজ গুয়াহাটিতে অবস্থিত শ্রীমন্ত শংকরদেব কলাক্ষেত্রের দামোদরদেব প্রেক্ষাগৃহে ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর ঘোষিত জরুরি অবস্থাকে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে স্মরণ করে ‘কালো দিবস’ পালন করছে অসম প্রদেশ ভারতীয় জনতা পার্টি। এই অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে নতুন করে আক্রমণ শানিয়েছেন ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা।

ড. শর্মা বলেন, জনসভা ও রাজনৈতিক সমাবেশে রাহুল গান্ধীর হাতে যে লাল রঙের সংবিধান পুস্তিকা দেখা যায় তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে তিনি একসময় কৌতূহলী ছিলেন। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যখনই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে লাল সংবিধান পুস্তিকা হাতে নিয়ে বক্তৃতা দিতে দেখবেন, তখন জানবেন, সেই একই পুস্তিকায় জরুরি অবস্থার সময় ইন্দিরা গান্ধী কীভাবে সংবিধানকে হত্যা করেছিলেন, তারও উল্লেখ রয়েছে।’

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, দিল্লি সফরের সময় তিনি একটি বইয়ের দোকান থেকে ওই পকেট-সাইজের সংবিধান পুস্তিকার একটি কপি কিনেছিলেন, যাতে তিনি নিজে এর বিষয়বস্তু যাচাই করতে পারেন। তিনি বলেন, ‘আমার সন্দেহ ছিল, পুস্তিকাটিতে তাঁর নিজের ঠাকুমার কর্মকাণ্ডের উল্লেখ রয়েছে কি না। প্রথমে মনে হয়েছিল, যাঁরা এটি অনুবাদ বা প্রকাশ করেছেন, তাঁরা হয়তো সেই অধ্যায়টি বাদ দিয়েছেন। কিন্তু যখন আমি বইটির ভূমিকা পড়ি, তখন দেখি সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধী ঘোষিত জরুরি অবস্থার সময় সংবিধান কীভাবে দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।’

হিমন্তবিশ্ব শর্মা অভিযোগ করে বলেন, জরুরি অবস্থা ছিল ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকার অধ্যায়। বলেন, সে সময় সাংবিধানিক মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক স্বাধীনতা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande