
হাওড়া, ২৬ জুন (হি.স.): বৃহস্পতিবারের ভারী বৃষ্টির জেরে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাগুলি কার্যত জলের তলায় চলে গেছে। হাওড়া জেলার জগাছা এলাকা এখনও জলমগ্ন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার হাওড়া জেলার শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ এলাকা পরিদর্শনে যান। নোংরা জল ভেঙে তিনি জলমগ্ন এলাকায় ঢোকেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন। একই সঙ্গে সমস্যা সমাধানের দ্রুত আশ্বাসও দেন তিনি।
বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে বিধায়ক বলেন, আগামী তিন বছরে হাওড়া জেলার ভোল বদলে যাবে । তারপর হাওড়াবাসীকে আর প্লাস্টিকের চটি পরতে হবে না, তাঁরা চামড়ার জুতো পরে ঘুরতে পারবেন। তিনি জানান, ৪,৭০০ কোটি টাকার একটি ড্রেনেজ অ্যাকশন প্ল্যান পাস হয়েছে। বিজেপি সরকার ধীরে ধীরে সবকিছু ঠিক করে দেবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারের টানা বৃষ্টির কারণে জগাছার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এলাকার বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ শুক্রবার সকালে শিবপুরের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের চ্যাংড়াজলা এলাকা পরিদর্শনে যান। তাঁর সঙ্গে হাওড়া পুরনিগমের কমিশনার, ইঞ্জিনিয়ার এবং অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকরা ছিলেন। তাঁরা স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে নিয়ে জলমগ্ন এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, এই এলাকাটি বেশ নিচু হওয়ায় এখানে সারা বছরই জল জমার সমস্যা থাকে। বর্ষা এলে এই ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে। বাধ্য হয়ে মানুষকে এই নোংরা জল মাড়িয়েই যাতায়াত করতে হয়।
স্থানীয়দের সব অভিযোগ শোনার পর রুদ্রনীল ঘোষ পূর্বতন সরকারের চরম উদাসীনতার দিকে আঙুল তোলেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১৫ বছরের দুর্নীতির কারণেই আজকে এই দশা হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই হাওড়ায় গোড়ালি পর্যন্ত জল জমে যাচ্ছে। অপরিকল্পিত নগরোন্নয়নের খেসারত শিবপুরের মানুষকে বছরের পর বছর ধরে দিতে হচ্ছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি