
নয়াদিল্লি, ২৬ জুন (হি.স.) : মহরম উপলক্ষে শুক্রবার দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় তাজিয়া ও মাতমের মিছিল বের হয়। পুরনো দিল্লি-সহ রাজধানীর একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কর্মসূচি পালিত হয়। ইমাম হুসেনের শাহাদত স্মরণে বিপুল সংখ্যক মানুষ মিছিলে অংশ নেন।
পুরনো দিল্লির বিভিন্ন মহল্লা থেকে তাজিয়ার মিছিল নির্ধারিত রুট ধরে জামে মসজিদে পৌঁছয়। সেখানে জুমার নামাজের পর মিছিল চাওড়ি বাজার, হাউজ কাজি, আজমেরি গেট, পাহাড়গঞ্জ, নয়াদিল্লি রেলস্টেশন, কনট প্লেস, সংসদ মার্গ, রেল ভবন, নির্মাণ ভবন ও মোতি বাগ হয়ে সফদরজংয়ের কারবালা জোর বাগে গিয়ে শেষ হয়।
রাজধানীর প্রাচীনতম তাজিয়া মিছিল বের হয় দরগাহ হজরত নিজামুদ্দিন থেকে। প্রথা মেনে এ বছরও তৈমুর লঙের সঙ্গে সম্পর্কিত কাঠের ঐতিহাসিক তাজিয়া শোভাযাত্রায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সেটিও কারবালা জোর বাগে পৌঁছয়।
শাস্ত্রী পার্ক, সিলমপুর, জাফরাবাদ, মুস্তাফাবাদ, করাওয়াল নগর, ওয়েলকাম, শাহদরা, নন্দ নগরী, সুন্দর নগরী, লক্ষ্মীনগর, ঝিল, খুরেজি, শকরপুর, ত্রিলোকপুরী, ময়ূর বিহার, কল্যাণপুরী, সরাই কালে খান, ওখলা, জামিয়া নগর, বাটলা হাউস, তুঘলকাবাদ, গোবিন্দপুরী, সঙ্গম বিহার, হামদর্দ, তিগড়ি, মদনগীর, ড. আম্বেদকর নগর, হাউজরানি ও মেহরৌলিতেও তাজিয়ার মিছিল বের হয়।
শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে দরগাহ শাহ-এ-মরদান এবং কাশ্মীরি গেটের দরগাহ পাঞ্জা শরিফে মাজলিস অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কারবালার শহিদদের স্মরণে মাতম করা হয়।
বহির্দিল্লির মুসলিম অধ্যুষিত গ্রাম ও মহল্লাগুলিতেও তাজিয়ার মিছিল বের হয়। বিভিন্ন জায়গায় শরবত, পানীয় জল, ফল ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য