চম্পত রাই নৈতিক দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন, ওঁর ওপর কোনো অভিযোগ আনা উচিত নয়: পূর্ণিমা কোঠারি
কলকাতা, ২৬ জুন (হি.স.): রাম মন্দির ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে চম্পত রাইয়ের পদত্যাগের পর অযোধ্যায় ১৯৯০ সালের গুলিকাণ্ডে নিহত করসেবক রামকুমার কোঠারি ও শরদ কোঠারির বোন পূর্ণিমা কোঠারি মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, চম্পত রাই নিজের নৈতিক দায়িত্ব স্ব
পূর্ণিমা কোঠারি


কলকাতা, ২৬ জুন (হি.স.): রাম মন্দির ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে চম্পত রাইয়ের পদত্যাগের পর অযোধ্যায় ১৯৯০ সালের গুলিকাণ্ডে নিহত করসেবক রামকুমার কোঠারি ও শরদ কোঠারির বোন পূর্ণিমা কোঠারি মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, চম্পত রাই নিজের নৈতিক দায়িত্ব স্বীকার করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাম মন্দির আন্দোলনে চম্পত রাইয়ের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পূর্ণিমা।

পূর্ণিমা কোঠারি বলেন, সম্ভবত তিনি তাঁর অন্তরাত্মার ডাক শুনে এবং নৈতিক দায়বদ্ধতা মেনেই পদত্যাগ করেছেন, কারণ ট্রাস্টে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে ছিলেন।

তিনি জানান, গত ১৫ বছর ধরে তিনি চম্পত রাইকে চেনেন এবং যখনই অযোধ্যায় যান, তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। পূর্ণিমার কথায়, তিনি তাঁর পুরো জীবন রাম মন্দিরের জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছেন। আদালতে চলা মামলার দায়িত্বও তিনি সামলেছেন এবং ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই করে মন্দির নির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

পূর্ণিমা কোঠারি দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, এমন একজন মানুষের ওপর অভিযোগ ওঠায় তিনি ব্যথিত। তিনি বলেন, আমি খুব কাছ থেকে তাঁর নিষ্ঠা ও সংগ্রাম দেখেছি। তিনি একজন সাধুর মতো জীবনযাপন করেছেন। এত সংগ্রামের পর তাঁর কাছে অর্থের কোনো মূল্য নেই। তাই ওঁর ওপর এই ধরনের কোনো অভিযোগ আনা উচিত নয়।

রাম মন্দিরের প্রণামী বা দানের টাকা আত্মসাতের কথিত অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে তিনি এটিকে একটি চক্রান্ত বলে অভিহিত করেন। তাঁর দাবি, কিছু মানুষ রাম মন্দির দেখতে চান না এবং মন্দিরের বদনাম করে মানুষের আস্থা দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের মানুষরা নিজেদের কোনো লোককে ভেতরের দিকে ঢুকিয়ে দিয়ে থাকতে পারে।

তিনি আরও যোগ করেন, মন্দিরে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত ও কর্মী আসেন। কে প্রকৃত রামভক্ত আর কে নন, তা যাচাই করা সম্ভব নয়। অন্য কেউও কপালে তিলক কেটে এবং হাতে লাল সুতো বেঁধে ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।

রাম মন্দির ট্রাস্টের সমস্ত পদাধিকারীদের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে পূর্ণিমা কোঠারি বলেন, আদালত থেকে মামলা জেতা থেকে শুরু করে মন্দির নির্মাণ পর্যন্ত তাঁরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।

তিনি স্পষ্ট জানান যে, মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কড়া এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজেই এর ওপর নজর রাখছেন। তাঁর মতে, তদন্তে যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে নিশ্চিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande