কলকাতা পৌঁছলেন অনুপম খের, বাংলা থেকে বিশ্বমানের অ্যাক্টিং স্কুল খোলার ঘোষণা
কলকাতা, ২৬ জুন (হি.স.) : প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক অনুপম খের ২৬ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে এসে রাজ্যের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি জগৎ নিয়ে এক বড় ঘোষণা করলেন। শুক্রবার কলকাতায় পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান যে, তাঁর সংস্থা ''অনুপম খ
অনুপম খের


কলকাতা, ২৬ জুন (হি.স.) : প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক অনুপম খের ২৬ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে এসে রাজ্যের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি জগৎ নিয়ে এক বড় ঘোষণা করলেন। শুক্রবার কলকাতায় পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান যে, তাঁর সংস্থা 'অনুপম খের স্টুডিও অ্যান্ড ফ্র্যাঞ্চাইজি গ্রুপ' প্রযোজক ফিরদৌসুল হাসানের সঙ্গে যৌথভাবে পশ্চিমবঙ্গ থেকে একটি নতুন ছবি শুরু থেকে শুরু তৈরি করতে চলেছে।

তিনি বলেন যে, এটি কেবল একটি নতুন চলচ্চিত্রের সূচনা নয়, বরং বাংলার চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক নতুন যুগের প্রতীক।

অভিনেতা অনুপম খের জানান, তাঁর ইচ্ছা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে একটি বিশ্বমানের অভিনয় শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করার, যেখানে নতুন প্রতিভাদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং আরও ভালো মঞ্চ প্রদান করা সম্ভব হবে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তিনি বলেন, বাংলা প্রতিভায় ভরপুর একটি দেশ এবং এখানকার শিল্পীরা যদি সঠিক সুযোগ পান, তবে তাঁরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেদের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করতে পারবেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে সঙ্গীত, সাহিত্য এবং চলচ্চিত্র সংস্কৃতির মজবুত ভিত্তি পশ্চিমবঙ্গের মাটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্যান্য মহান ব্যক্তিত্বদের স্মরণ করে তিনি বলেন, বাংলা বরাবরই সৃষ্টি ও সংস্কৃতির কেন্দ্রস্থল ছিল, তাই এই নতুন উদ্যোগের সূচনাও এখান থেকেই করা হচ্ছে।

অভিনেতা অনুপম খের জানান যে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাত্কারের সময় তিনি এই উদ্যোগের জন্য পূর্ণ সহযোগিতা ও শুভেচ্ছা পেয়েছেন। তিনি বলেন, রাজ্যে সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি ইতিবাচক পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, প্রায় ২৬ বছর আগে তিনি বাংলায় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার সঙ্গে কাজ করেছিলেন এবং এখন আরও একবার রাজ্যের চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হওয়া তাঁর জন্য এক বিশেষ অনুভূতি।

কলকাতায় পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে অনুপম খের বলেন, এখানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি একটি পরিবর্তিত এবং নতুন শক্তিতে ভরপুর পরিবেশ অনুভব করেছেন, যা ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande