
কলকাতা, ১৮ জুলাই (হি. স.) : সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে তিনি প্রথম মহিলা চিকিৎসক ও নারী শিক্ষা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়। শনিবার তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার কৃষ্ণনগর কথাশিল্প সংস্থার উদ্যোগে মহলাকক্ষে এক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা তাঁর জীবনসংগ্রাম, শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা এবং সমাজ সংস্কারে অবদানের কথা তুলে ধরেছেন।
মূল আলোচক পীতম ভট্টাচার্য এই প্রসঙ্গে বলেছেন, - যে সময়ে নারীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ ছিল অত্যন্ত সীমিত, সেই সময়েই কাদম্বিনী চিকিৎসাশাস্ত্র অধ্যয়নের সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। নানা বাধা, মেডিক্যাল কাউন্সিলের আপত্তি এবং একাধিক প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি পিছিয়ে যাননি। শেষ পর্যন্ত তৎকালীন অধ্যক্ষ ডা. কেটসের উদ্যোগে তিনি চিকিৎসাবিদ্যার ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপরে বিদেশে গিয়ে আরও উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষা লাভ করে দেশে ফিরে আসেন। পাশ্চাত্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। উল্লেখ্য, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এন্ট্রান্স ও বি.এ. উত্তীর্ণ প্রথম ভারতীয় নারীদের অন্যতম এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম নারী বক্তাও ছিলেন। তিনি।
প্রসঙ্গত, অনুষ্ঠানের শেষে কথাশিল্পের ছাত্রীরা কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করে কবিতা আবৃত্তি করেন। এদিন উপস্থিত সকলেই তাঁর জীবনসংগ্রামকে আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত