বিজেপির কর্মী নেই, পুলিশ দিয়ে দল চালানো হচ্ছে: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
বাঁকুড়া, ১৮ জুলাই (হি.স.): বিজেপির কোনও কর্মী নেই, পুলিশকে ব্যবহার করেই দল চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বাঁকুড়ায় ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের প্রস্তুতি বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পুলিশ দিয়
বিজেপির কর্মী নেই, পুলিশ দিয়ে দল চালানো হচ্ছে: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়


বাঁকুড়া, ১৮ জুলাই (হি.স.): বিজেপির কোনও কর্মী নেই, পুলিশকে ব্যবহার করেই দল চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বাঁকুড়ায় ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের প্রস্তুতি বৈঠকে যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পুলিশ দিয়ে তৃণমূল কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে এবং দল ছাড়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

২১ জুলাই শহিদ দিবসের সমাবেশকে সামনে রেখে বাঁকুড়া তৃণমূল ভবনে জেলা নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্র। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপির কোনও কর্মী নেই। সারা রাজ্যে পুলিশ দিয়ে দল চালানো হচ্ছে। তৃণমূল কর্মীদের ধমকানো হচ্ছে, দল ছেড়ে না গেলে 'গ্যারেজ' করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সারা রাজ্যে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় ১৪ হাজার ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রে স্থানীয় প্রার্থীর দাবিতে দলের কর্মীরা সরব হয়েছিলেন এবং সেই দাবিই মেনে স্থানীয় প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর সেই প্রার্থী দল ছেড়ে চলে যান। তাঁর দাবি, ওই প্রার্থীকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় যোগাযোগ করেছিলেন। এখন তিনি আর তৃণমূলের নন, তাঁর নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, যে যেখানে ভালো থাকে থাকুক। তবে যাঁরা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের আবার দলে নেওয়া হলে আমি নিজেই দল ছেড়ে দেব।

'ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন' প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ওই বিল পাশ করানোর লক্ষ্যে বিজেপি তৃণমূলের সাংসদদের ভাঙানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, বিল কার্যকর হলে ২০২৯ সালে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে হবে এবং দলবদলকারী নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সংকটে পড়বে।

সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, বিজেপির নেতারাই যাঁদের বিরুদ্ধে লড়েছেন, তাঁদের এখন সরাসরি দলে নিতে পারছেন না। তাই একটি 'বাফার জোনে' রাখা হয়েছে। তাঁর কথায়, এঁরা ভবিষ্যতে না বিজেপির, না তৃণমূলের।

বৈঠকে ২১ জুলাই কলকাতার শহিদ দিবসের সমাবেশে বাঁকুড়া জেলা থেকে সর্বাধিক সংখ্যক কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতি নিশ্চিত করার রূপরেখা তৈরি হয়। ব্লক ও অঞ্চল স্তরের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বুথভিত্তিক দায়িত্বও বণ্টন করা হয়। বৈঠকে জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন স্তরের নেতা, ব্লক সভাপতি ও সংগঠনের পদাধিকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande