
কলকাতা, ২৫ জুলাই (হি. স.) : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নতুন শুল্কব্যবস্থা কার্যকর হলেও ভারতীয় রত্ন ও গয়না রপ্তানির উপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক বহাল থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জেম অ্যান্ড জুয়েলারি এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিল (জিজেইপিসি)। উল্লেখ্য, ২৪ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া 'সেকশন ৩০১' শুল্ক ব্যবস্থা অনুযায়ী এই হার অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বাধ্যতামূলক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করার নীতি গ্রহণ করায় ভারতকে ১০ শতাংশ শুল্কের নিম্নস্তরে রাখা হয়েছে। ফলে চীন, হংকং, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইসরায়েল ও ভিয়েতনামের তুলনায় ভারতীয় রপ্তানিকারকেরা ২.৫ শতাংশ শুল্ক-সুবিধা পাচ্ছেন।
জিজেইপিসি-র চেয়ারম্যান কিরিট ভানসালি শনিবার বলেন, ভারতের রত্ন ও গয়না শিল্পের সঙ্গে জোরপূর্বক শ্রমের কোনো যোগ নেই। শিল্পক্ষেত্রে দায়িত্বশীল উৎস নির্বাচন, শ্রমিক কল্যাণ ও নৈতিক ব্যবসায়িক মানদণ্ড দীর্ঘদিন ধরেই অনুসৃত হচ্ছে। তাঁর দাবি, নতুন ১০ শতাংশ শুল্ক অযৌক্তিক এবং এতে ভারতীয় রপ্তানি চাপে পড়বে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক হিরে ও রঙিন রত্নের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো দেশগুলি অতিরিক্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ায় ভারত প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। বর্তমানে গয়নার উপর ৫.৫ থেকে ৬ শতাংশ এমএফএন শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক বসায় মোট আমদানি শুল্ক প্রায় ১৫.৫ থেকে ১৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ভারত–মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি (বিটিএ) সম্পন্ন করে শুল্ক-রেয়াত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে জিজেইপিসি।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত