
নয়াদিল্লি, ৩১ জুলাই (হি.স.): শুক্রবার সংসদ ভবন চত্বরে বিরোধী সাংসদদের সাধুর বেশে অশালীন প্রদর্শনের তীব্র নিন্দা করেছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. সুরেন্দ্র জৈন। তিনি এটিকে সনাতন ধর্ম, শ্রদ্ধেয় সাধু-সন্ত এবং সমগ্র হিন্দু সমাজের ধর্মীয় অনুভূতির ওপর সরাসরি অপমান ও অসম্মান বলে অভিহিত করেছেন। এই বিষয়ে জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জাতীয় মুখপাত্র বিনোদ বনসল|
সুরেন্দ্র জৈন বলেন, কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের অন্যান্য সাংসদদের সাধুর বেশে এই প্রদর্শন একটি অত্যন্ত নিম্নরুচির। তিনি বলেন, যেভাবে রাবণ ছলনা ও প্রতারণার জন্য সাধুর ছদ্মবেশ ধারণ করেছিল, ঠিক সেভাবেই এই নেতারা ধর্মীয় প্রতীকের অপব্যবহার করে হিন্দুদের বিশ্বাসের ওপর আঘাত হানার চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলগুলোর হিন্দু-বিরোধী মনোভাব নতুন নয়। শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দির নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত তারা ক্রমাগত সনাতন ধর্মকে লক্ষ্যবস্তু করে চলেছে। মহান রাম মন্দির তৈরি হওয়ার পর থেকে তাদের মধ্যে তৈরি হওয়া হতাশা থেকেই এসব করা হচ্ছে। হিন্দু সমাজ ধৈর্যশীল ও সহনশীল| কিন্তু তাকে তার ভাষাগত এবং সাংবিধানিক সীমানা লঙ্ঘন করতে বাধ্য করা উচিত নয়। ড. জৈন চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, এই নেতাদের যদি সাহস থাকে, তবে তাঁরা যেন অন্য কোনও ধর্মের ধর্মগুরুদের ছদ্মবেশ ধারণ করে তাদের প্রতীকগুলোকে উপহাস করেন। এমনটা করলেই রাস্তায় সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয়ে যাবে এবং তাদের বাইরে বেরোনো কঠিন হয়ে পড়বে।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে জোরালোভাবে দাবি জানানো হয়েছে, সংসদ চত্বরে ধর্মীয় প্রতীকের অবমাননাকারী সাংসদদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এর পাশাপাশি, এই অশালীন কাজ এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সুরেন্দ্র জৈন সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি এই ধরণের কাজের ওপর অবিলম্বে রাশ টানা না হয়, তবে দেশের সাধু-সন্ত এবং সমগ্র হিন্দু সমাজের বিক্ষোভ খুব শীঘ্রই রাজপথে প্রদর্শিত হবে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ