কাছাড়ে নবগঠিত রংপুর ব্লকের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিবিধ প্রস্তাব বিবেচনাধীন : মন্ত্ৰী অতুল
গুয়াহাটি, ৮ জুলাই (হি.স.) : সীমা পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন)-এর পর কাছাড় জেলায় নবগঠিত রংপুর উন্নয়ন ব্লকের জন্য একটি নতুন কার্যালয় ভবন নির্মাণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত ও আঞ্চলিক পঞ্চায়েত কার্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ এবং সংস্
অসম বিধানসভা (ফাইল ফটো)


গুয়াহাটি, ৮ জুলাই (হি.স.) : সীমা পুনর্নির্ধারণ (ডিলিমিটেশন)-এর পর কাছাড় জেলায় নবগঠিত রংপুর উন্নয়ন ব্লকের জন্য একটি নতুন কার্যালয় ভবন নির্মাণের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত ও আঞ্চলিক পঞ্চায়েত কার্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ এবং সংস্কার সহ বিবিধ প্রস্তাব বিবেচনা করছে রাজ্য সরকার।

আজ বুধবার বিধানসভায় চলমান বাজেট অধিবেশনের তৃতীয়দিন উদারবন্দের বিধায়ক রাজদীপ গোয়ালার এক তারকাহীন প্রশ্নের উত্তরে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী অতুল বরা জানান, এ সংক্রান্ত আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব ইতিমধ্যেই অর্থ দফতরে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রী জানান, ২০২৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কাছাড় জেলা পরিষদ অর্থ (অর্থনৈতিক বিষয়ক) দফতরের বিশেষ সচিবের কাছে একটি চিঠির মাধ্যমে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে। ওই প্রস্তাবে উদারবন্দ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রংপুর উন্নয়ন ব্লকের জন্য নতুন কার্যালয় ভবন নির্মাণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রস্তাবের সঙ্গে জমাকৃত সরকারি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পঞ্চায়েত এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে জেলার বিভিন্ন স্থানে পরিকাঠামোগত ঘাটতি প্রকট হয়ে উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কাজের পরিধি বেড়ে যাওয়ায় একাধিক বিদ্যমান গ্রাম পঞ্চায়েত এবং আঞ্চলিক পঞ্চায়েত কার্যালয় আর পর্যাপ্ত নয় অথবা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলির অবস্থা জীর্ণ হয়ে পড়েছে। এছাড়া নবগঠিত বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতের নিজস্ব কার্যালয় নেই। আবার কিছু পঞ্চায়েত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে তাদের আগের কার্যালয় নতুন প্রশাসনিক এলাকার বাইরে চলে যাওয়ায় সেগুলির ব্যবহার থেকেও বঞ্চিত হয়েছে।

এই প্রস্তাবটি অসম রাজ্য অর্থ কমিশনের সপ্তম কমিশনের আওতায় বিবেচনার জন্য জমা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নতুন ভবন নির্মাণ এবং বিদ্যমান পরিকাঠামোর সংস্কারের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক বরাদ্দের আবেদন জানিয়েছেন।

নথিতে আরও বলা হয়েছে, উপযুক্ত কার্যালয় পরিকাঠামোর অভাবে পঞ্চায়েত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে জনসেবা প্রদান, নথি সংরক্ষণ, প্রশাসনিক কাজ এবং সরকারি বৈঠক পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর জানিয়েছে, প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরবর্তী পর্যবেক্ষণের জন্য ন্যাশনাল ই-বিদান অ্যাপ্লিকেশন (নেভা) পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুমোদন পাওয়ার পর প্রস্তাবিত কাজগুলি শুরু করা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande