
গুয়াহাটি, ৮ জুলাই (হি.স.) : কাছাড় জেলার অন্তৰ্গত মধুরা ও বরাক নদীর তীরবর্তী একাধিক ভাঙনপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। উদারবন্দ বিধানসভা এলাকায় স্থায়ী বন্যা ও নদীভাঙন প্রতিরোধমূলক কাজের প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে এই প্রকল্পগুলি প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের ওপর নির্ভরশীল, আজ বিধানসভায় জানিয়েছেন জলসম্পদ দফতরের মন্ত্রী সুশান্ত বড়গোহাঁই।
আজ বুধবার অসম বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় দিনের কার্যক্রমণিকায় উদারবন্দের বিধায়ক রাজদীপ গোয়ালার উত্থাপিত এক অতারাঙ্কিত প্রশ্নের উত্তরে জলসম্পদ মন্ত্রী সুশান্ত বড়গোহাঁই জানান, তাঁর দফতরের আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই একাধিক স্থান পরিদর্শন করে ভাঙনরোধী কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ের হিসাব (এস্টিমেট) প্রস্তুত করেছে।
মন্ত্রী জানান, মধুরা নদীর তীরবর্তী ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলির মধ্যে রয়েছে নয়াগ্রাম, জগন্নাথ মন্দির (মণিপুরি পাড়া), শিববাড়ি-নয়াগ্রাম, গোঁসাইপুর পার্ট-২ এবং গোঁসাইপুর। এই এলাকাগুলিতে স্থায়ী বন্যা ও নদীভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পের প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে, অর্থের ব্যবস্থা হলেই সেগুলির কাজ শুরু হবে।
সুশান্ত বড়গোহাঁই আরও জানান, বরাক নদীর তীরে করাতিগ্রাম এবং বিসি গুপ্ত এলাকায় নদীভাঙনের তাৎক্ষণিক প্রভাব কমাতে জলসম্পদ বিভাগ ইতিমধ্যেই অস্থায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এছাড়া করাতিগ্রাম, বিসি গুপ্ত, আঙ্গারজুড়, গঙ্গাপাড়া এবং গোঁসাইপুর এলাকায় স্থায়ী নদীভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ সব প্রকল্পের ব্যয়ের হিসাব প্রস্তুত হয়ে গেছে, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের পর বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়ে যাবে। মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির বিস্তারিত তথ্য‘ন্যাশনাল ই-বিদান অ্যাপ্লিকেশন’ (নেভা) পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস