
ভুবনেশ্বর, ৯ জুলাই (হি.স.): উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন বৃহস্পতিবার ভুবনেশ্বরের ওড়িশা কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ওইউএটি) ভারতের গভীর সমুদ্রের মৎস্য সম্পদের সুস্থায়ী ব্যবহারের জন্য একটি যুগান্তকারী জাতীয় উদ্যোগের সূচনা করেছেন। ‘ব্লু ইকোনমি’-কে জাতীয় সমৃদ্ধির এক রূপান্তরকারী চালিকাশক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি যুবসমাজকে ‘বিকশিতভারত’-এর ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে আধুনিক, প্রযুক্তি-চালিত মৎস্য ও সামুদ্রিক পেশা গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
গভীর সমুদ্রের মৎস্য সম্পদের সুস্থায়ী ব্যবহারের জন্য একটি যুগান্তকারী জাতীয় উদ্যোগের সূচনার মাধ্যমে ভারত এদিন নিজস্ব সামুদ্রিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক চিহ্নিত করেছে। উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন দূরবর্তী জলসীমায় কর্মরত ভারতীয় পতাকাবাহী মাছ ধরার জাহাজগুলির জন্য ‘লেটার অফ অথরাইজেশন’-এর জাতীয় পর্যায়ে প্রচলনের উদ্বোধন করেন, যা দায়িত্বশীল গভীর সমুদ্রের মৎস্য শিকার এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণের জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো প্রতিষ্ঠা করে। তিনি ‘ওড়িশা ডিপ সি ফিশিং মিশন ডকুমেন্ট’-এরও উন্মোচন করেন, যা রাজ্যের গভীর সমুদ্রের মৎস্য বাস্তুতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং ‘ব্লু ইকোনমি’ প্রসারিত করার জন্য একটি কৌশলগত নীলনকশা।
ভারতের সামুদ্রিক খাদ্য রফতানি ৭৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে এবং এখন ১২০টিরও বেশি দেশে পৌঁছয়, এই তথ্যের ওপর জোর দিয়ে উপরাষ্ট্রপতি ডিজিটাল অনুমোদন, জাহাজ ট্র্যাকিং এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত সার্টিফিকেশন মানদণ্ডের মাধ্যমে প্রযুক্তি-চালিত মৎস্য সেক্টরের আহ্বান জানিয়েছেন। তরুণ ভারতীয়দের মৎস্য ক্ষেত্রকে একটি আধুনিক, বিজ্ঞান-ভিত্তিক এবং বিশ্বব্যাপী সুযোগসম্পন্ন পেশা হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি প্রাণবন্ত নীল অর্থনীতিই হবে ‘বিকশিত ভারত’-এর মূল চালিকাশক্তি।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ