রামমন্দিরের অনুদান বিতর্কে ভাইরাল গান, রামভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া
অযোধ্যা, ৯ জুলাই (হি.স.): রামমন্দিরের অনুদান (চাঁদা) ও দানের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের আবহে একটি গান সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। রামভক্তদের একাংশের দাবি, গানটি তাঁদের অবস্থানকে তুলে ধরছে এবং ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছে। গানের কথায
রামমন্দিরের অনুদান বিতর্কে ভাইরাল গান, রামভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া


অযোধ্যা, ৯ জুলাই (হি.স.): রামমন্দিরের অনুদান (চাঁদা) ও দানের অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের আবহে একটি গান সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। রামভক্তদের একাংশের দাবি, গানটি তাঁদের অবস্থানকে তুলে ধরছে এবং ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছে।

গানের কথায় বলা হয়েছে— “মন্দিরও আমাদের, দানও আমাদের; তোমাদের উদ্দেশ্য আমরা বুঝে গিয়েছি। চাঁদা সংক্রান্ত অভিযোগের জবাব রামভক্তরাই দেবেন, এতে রামদ্রোহীদের কী কাজ?” এই বার্তাকে কেন্দ্র করেই গানটি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

গানটিতে বিরোধী দলগুলির বিরুদ্ধে কড়া রাজনৈতিক আক্রমণ করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, যাঁরা একসময় রামজন্মভূমি আন্দোলন, ভগবান রামের অস্তিত্ব এবং রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাঁরাই এখন মন্দিরের অনুদানকে ইস্যু করছেন।

হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক-সহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই গানে বলা হয়েছে, রামমন্দিরের অনুদান এবং তা-সংক্রান্ত বিষয়ের জবাব রামভক্তরাই দেবেন। গানে বিরোধীদের ‘রামদ্রোহী’ বলে উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, এই বিষয়ে প্রশ্ন তোলার নৈতিক অধিকার তাঁদের নেই। পাশাপাশি রামজন্মভূমি আন্দোলন, আদালতে দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং মন্দির নির্মাণের সংগ্রামের কথাও গানের কথায় উঠে এসেছে।

গানটির মাধ্যমে বিরোধীদের উদ্দেশে প্রশ্ন তোলা হয়েছে— যাঁরা একসময় রামকে কাল্পনিক বলে দাবি করেছিলেন এবং তাঁর অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাঁদের এখন রামমন্দিরের অনুদান নিয়ে প্রশ্ন তোলার নৈতিক অধিকার কীভাবে থাকে?

রামভক্ত মণীশ শুক্লের দাবি, এই গান বিরোধীদের অভিযোগের যথাযথ জবাব। অন্যদিকে সমালোচকদের একাংশের মতে, গানটি রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও উসকে দেওয়ার প্রচেষ্টা। গানটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

প্রবীণ সাংবাদিক সিয়ারাম পাণ্ডের মতে, অযোধ্যার শ্রীরামমন্দিরে যা কিছু ঘটেছে, তা দুঃখজনক এবং ভবিষ্যতে তার পুনরাবৃত্তি হওয়া উচিত নয়। তবে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অযোধ্যা, শ্রীরামমন্দির বা ভারতীয় সংস্কৃতির উপর আক্রমণ করাও সমীচীন নয়। তাঁর বক্তব্য, রামমন্দির-সংক্রান্ত বিষয় বরাবরই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। তাই অনুদান বিতর্কের আবহে এই গানকে সামাজিক মাধ্যমে একটি নতুন রাজনৈতিক বয়ান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande