গত ১২ বছরে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন সাত গুণ বেড়েছে : অশ্বিনী বৈষ্ণব
নয়াদিল্লি, ১৭ আগস্ট (হি.স.): গত ১২ বছরে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন সাত গুণ বেড়েছে, জোর দিয়ে বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, গত ১২ বছরে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন সাত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সেক্টরটি বর্ত
অশ্বিনী বৈষ্ণব


নয়াদিল্লি, ১৭ আগস্ট (হি.স.): গত ১২ বছরে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন সাত গুণ বেড়েছে, জোর দিয়ে বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, গত ১২ বছরে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন সাত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সেক্টরটি বর্তমানে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে এবং একই সময়ে ভারত থেকে ইলেকট্রনিক্স পণ্য রফতানি এগারো গুণ বেড়ে ৪ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রীর ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ও ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ অভিযানের আওতায় ভারতে একটি পর্যায়ক্রমিক উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে উঠছে—যার শুরুটা হয়েছিল চূড়ান্ত পণ্য দিয়ে, এরপর তা মডিউল ও যন্ত্রাংশের (কম্পোনেন্ট) দিকে এবং পরবর্তীতে সেই যন্ত্রাংশ তৈরির কাঁচামাল ও মূলধনী সরঞ্জামের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রাংশ উৎপাদন প্রকল্পের অধীনে ১০৬টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এই প্রকল্পগুলোতে ৬৯,৫৪৮ কোটি টাকা (অর্থাৎ প্রায় ৭০,০০০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করা হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে প্রায় ৭৫,০০০ মানুষের জন্য প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ—উভয় ধরনের কর্মসংস্থানের হিসাব করলে, এই ১০৬টি কারখানা প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। এখন এই প্রকল্পের আওতায় আরও ৩১টি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শিল্পমহল যন্ত্রাংশ উৎপাদন প্রকল্পে দ্রুত বিনিয়োগ করেছে; ৩৮টি প্রকল্পে ইতিমধ্যেই উৎপাদন শুরু হয়েছে এবং ১৬টি প্রকল্পের নির্মাণকাজ বর্তমানে চলছে।

অশ্বিনী বৈষ্ণব আরও বলেন, ভারত বিভিন্ন ধরণের যন্ত্রাংশের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। উদাহরণস্বরূপ, 'এনক্লোজার'-এর সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ চাহিদা এখন দেশেই মেটানো হচ্ছে—এক্ষেত্রে ভারত ১০০% স্বনির্ভর। আমরা পিসিবি (প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড)-এর চাহিদার ৪৫% পূরণ করছি এবং এমনকি তা রফতানিও শুরু করেছি। ডিজিটাল প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত লিথিয়াম-আয়ন সেলের অভ্যন্তরীণ চাহিদার ৬০% ভারত বর্তমানে মেটাচ্ছে। ল্যামিনেটের ক্ষেত্রে আমরা ৮০% স্বনির্ভরতা অর্জন করেছি এবং অ্যানোড সামগ্রী রফতানি শুরু করেছি। অপটিক্যাল ট্রান্সসিভারের ক্ষেত্রে, আমরা কেবল চাহিদা মেটানোর পর্যায় ছাড়িয়ে পূর্ণাঙ্গ স্বনির্ভরতা অর্জন ও রপ্তানি শুরুর পর্যায়ে পৌঁছেছি। একইভাবে, কানেক্টরের চাহিদার ৭৫% দেশীয়ভাবেই পূরণ করা হচ্ছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande