মেঘালয়ে হিংসাত্মক ঘটনায় বাঙালি পরিষদের তীব্র নিন্দা; নেতাজী ও স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙচুরে ক্ষোভ, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি
হাফলং (অসম), ২১ আগস্ট (হি স) মেঘালয়ে গত ১৯ আগস্ট খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক পরিস্থিতি, জাতীয় মনীষী নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ও স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙচুর এবং সাধারণ মানুষের উপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা
মেঘালয়ে হিংসাত্মক ঘটনায় বাঙালি পরিষদের তীব্র নিন্দা; নেতাজী ও স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙচুরে ক্ষোভ, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি


হাফলং (অসম), ২১ আগস্ট (হি স) মেঘালয়ে গত ১৯ আগস্ট খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হিংসাত্মক পরিস্থিতি, জাতীয় মনীষী নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ও স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি ভাঙচুর এবং সাধারণ মানুষের উপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাল বাঙালি পরিষদ অসমের ডিমা হাসাও জেলা কমিটি।

সংগঠনের সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা সমন্বয়ক এবং মিডিয়া সেক্রেটারি বিপ্লব দেব এক বিবৃতিতে বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের সঙ্গে হিংসার কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে না। দাবি-দাওয়া ও ক্ষোভ প্রকাশের ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিই অনুসরণ করা উচিত। আন্দোলনের নামে ভাঙচুর, হিংসা এবং নিরীহ মানুষের উপর হামলা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বাঙালি পরিষদের ডিমা হাসাও জেলা কমিটির বক্তব্য, ১৯ আগস্টের ঘটনায় শুধু সভ্য সমাজের মূল্যবোধই প্রশ্নের মুখে পড়েনি, মেঘালয়ের শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক পরিবেশ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু ও স্বামী বিবেকানন্দের মতো সর্বজনশ্রদ্ধেয় জাতীয় মনীষীর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। মতপার্থক্য বা রাজনৈতিক ও সামাজিক দাবির বহিঃপ্রকাশ কখনওই জাতীয় মনীষীদের অবমাননার কারণ হতে পারে না। ঘটনার পর মেঘালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বাঙালি পরিষদ বলেছে, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে. সাংমার কাছে আবেদন জানিয়ে সংগঠনটি আরও বলেছে, ১৯ আগস্টের হিংসাত্মক ঘটনায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ মিলবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে মেঘালয়ের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠনের প্রতি শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের পরিবেশ বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছে বাঙালি পরিষদ। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের হিংসাত্মক ও অশান্তিকর ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য সকলকে দায়িত্বশীল ও সংযত ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande