স্কুলের ভিতর ছাত্রছাত্রী ও মহিলা অশিক্ষক কর্মীর মারামারি, ভাইরাল ছবি ঘিরে চাঞ্চল্য
মালদা, ২২ আগস্ট (হি.স.): স্কুলের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে এক মহিলা অশিক্ষক কর্মীর হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার বামনগোলার জগদলা হাইস্কুলে। ঘটনার ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। স্কুল চলাকালীন
স্কুলে মারপিট


মালদা, ২২ আগস্ট (হি.স.): স্কুলের মধ্যেই ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে এক মহিলা অশিক্ষক কর্মীর হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার বামনগোলার জগদলা হাইস্কুলে। ঘটনার ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। স্কুল চলাকালীন এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

জানা গিয়েছে, এক প্রাক্তন ছাত্রের স্কুল সার্টিফিকেট দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে গোলমালের সূত্রপাত। সংশোধিত নাম অনুযায়ী সার্টিফিকেট দেওয়ার দাবি জানানো হলেও স্কুলের নথিতে থাকা নাম অনুযায়ী সার্টিফিকেট দেওয়া হবে বলে জানান মহিলা অশিক্ষক কর্মী। এরপরই দ্বাদশ শ্রেণির এক পড়ুয়া-সহ কয়েকজন ছাত্রী তাঁর সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ।

আক্রান্ত অশিক্ষক কর্মীর অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমিত হালদার এবং আরও এক শিক্ষক তাঁকে মারধরের ঘটনায় ইন্ধন দিয়েছেন। পরে তাঁকে প্রথমে মুদিপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে এবং পরে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পাল্টা হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও এক শিক্ষককেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারী অশিক্ষক কর্মীর আরও দাবি, স্কুলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মিড-ডে মিল-সহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তাঁকে কুপ্রস্তাব ও যৌন হেনস্থার অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছিল। এ বিষয়ে আগেই থানায় ও শিক্ষা দফতরে অভিযোগ জানানো হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁর।

ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায়ের দাবি, পুলিশ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক। তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষও পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande